— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
নিয়মিত পরিদর্শন হবে স্কুলে স্কুলে। মিড-ডে মিল বা পিএম পোষণের ক্ষেত্রে এমনই নির্দেশ দিল বিকাশ ভবন।
সূত্রের খবর, খাবারের মান, প্রতিদিন পড়ুয়াদের পাতে কী খাবার পড়ছে, কত জন পড়ুয়া খাবার পাচ্ছে, ভান্ডারে আগামী দিনের জন্য কী পরিমাণ খাবার মজুত রয়েছে, তা খতিয়ে দেখবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকেরা। দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্নীতি রোধে নতুন সরকার শূন্য সহনশীলতার (জ়িরো টলারেন্স) নীতি মেনে চলবে বলে জানিয়েছে। তারই অঙ্গ হিসাবে এই নির্দেশ জারি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
সম্প্রতি প্রাথমিক স্তরে মিড-ডে মিল খাতে বরাদ্দও বৃদ্ধি করেছে রাজ্য সরকার। বিধানসভায় প্রথম বাজেট পেশ করতে গিয়ে অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত তা ঘোষণা করেন। শিক্ষা মহলের দাবি, মিড-ডে মিলে বহু দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। নিয়ম অনুযায়ী, প্রতিদিন মেনুতে কী রয়েছে সেটা স্কুলেই প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখার কথা। এ বার সে সব হিসাবে খতিয়ে দেখবে জেলাস্কুল পরিদর্শকের অফিস।
উত্তরবঙ্গের একটি জেলায় প্রতিদিন পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সেখানে প্রতিদিনের হিসেবের পাশাপাশি কত খাবার মজুত রয়েছে, তা-ও খতিয়ে দেখার বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া রান্নাঘরের পরিকাঠামো এবং খাবারের মান যাচাই করতে হবে বলে জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।
দফতরের এক কর্তা বলেন, “পরিদর্শন খুব ভাল ভাবে করতে হবে এবং সংগৃহীত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। খাবরের মান যাচাই করতে হবে। কোনও ভাবেই যেন পড়ুয়াদের নিম্ন মানের খাবার না দেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।”
বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “মিড-ডে মিল নিয়ে নানা সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। শিশুদের খাবার নিয়ে কোনও আপস করা উচিত নয়। পরিদর্শনের পাশাপাশি স্কুলগুলিকেও এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।” কলকাতার এক শিক্ষক জানান, রান্না ঘরের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার পাশাপাশি নিয়ম মেনে খাবারের মানও ভাল করা উচিত।