প্রতীকী চিত্র।
২০১৬ প্যানেল বাতিল হওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পুরনো চাকরিতে ফিরে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন চাকরিহারা ‘যোগ্য’ প্রার্থীরা। তার মধ্যে ৪৯ জন চাকরিপ্রার্থী কর্মশিক্ষা বিষয়ক শিক্ষকতায় ফিরে যাওয়ার আবেদন করেছিলেন। সেটাই ছিল তাঁদের পুরনো চাকরি। কিন্তু সেখানেও তৈরি হয় জটিলতা। এ বার তাঁদের নতুন করে নিয়োগপত্র দিল সরকার।
জানা গিয়েছে, ওই ৪৯ জন ‘যোগ্য’ চাকরিহারার আবেদন গ্রহণ করে তাঁদের পুরনো চাকরিতে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাঁদের যে পদে ফেরানো হয়েছিল সেটি ছিল অতিরিক্ত পদ (সুপার নিউমেরারি পোস্ট)।
কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষায় সরকার অতিরিক্ত ১৬০০ শূন্য পদ তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। কিন্তু এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেও মামলা হয় কলকাতা হাই কোর্টে। গত বছর ডিসেম্বরে ডিভিশন বেঞ্চ এই সিদ্ধান্ত বেআইনি বলে খারিজ করে দেয়। ফলে কর্মশিক্ষা বিষয়ে পুরনো চাকরিতে যোগদান করা ৪৯ জন চাকরিপ্রার্থীর বেতন নিয়েও তৈরি হয় সমস্যা।
এ বার তাঁদের সমস্যা সমাধানে নতুন করে ৪৯টি শূন্য পদ তৈরি করে স্কুল এডুকেশন কমিশনারের তরফ থেকে পাঠানো হয় স্কুল সার্ভিস কমিশনের কাছে। সোমবার এসএসসি-র তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, এই সব প্রার্থীদের নতুন ভাবে শূন্যপদে নতুন জায়গায় সুপারিশ পত্র দেওয়া হবে। ১০ মার্চ দুপুর বারোটা থেকে আচার্য সদনে এই প্রার্থীদের সুপারিশ পত্র দেওয়া হবে।
বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “এই কর্মশিক্ষার শিক্ষকদের অনেক হয়রানি হয়েছে। অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছিলেন। আমরা চাই এঁদের যাতায়াত যোগ্য দূরত্বে পোস্টিং দেওয়া হোক। আগের মতো যে না দূরে দূরে ঠেলে দেয়।”