SSC teacher recruitment

একাদশ-দ্বাদশ শিক্ষক নিয়োগে সরস্বতী পুজোর আগেই প্যানেল! সবুজ সঙ্কেতের অপেক্ষায় এসএসসি

আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যেই একাদশ-দ্বাদশের জন্য শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত প্যানেল প্রকাশ হবে। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য সরকারের শীর্ষ স্তর থেকে সবুজ সঙ্কেত পেলেই ১২,৪৪৫ শূন্যপদের জন্য প্যানেল প্রকাশ করা হবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৭:১১
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

সুপ্রিম কোর্ট সময় দিয়েছে অগস্ট পর্যন্ত, কিন্তু বিধানসভা ভোটের আগেই শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করে ফেলতে চাইছে শিক্ষা দফতর। তেমনই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। শিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া বেশ খানিকটা এগিয়ে ফেলেছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। এ বার অপেক্ষা শুধু মেধাতালিকা প্রকাশের।

Advertisement

জানা গিয়েছে, আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যেই একাদশ-দ্বাদশের জন্য শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত প্যানেল প্রকাশ হবে। কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্য সরকারের শীর্ষ স্তর থেকে সবুজ সঙ্কেত পেলেই ১২,৪৪৫ শূন্যপদের জন্য প্যানেল প্রকাশ করা হবে।

একাদশ-দ্বাদশের জন্য শিক্ষক নিয়োগের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শেষ করেছে এসএসসি। এর পর বিষয় ভিত্তিক, মাধ্যম ও সংরক্ষণ ভিত্তিক চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশ করা হবে। মেধাতালিকা প্রকাশের সাত দিনের মধ্যেই চাকরির সুপারিশ পত্র দেওয়া হবে কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে।

কমিশন সূত্রের খবর, ২২জানুয়ারি থেকে সরস্বতী পুজো-সহ একটানা সরকারি ছুটি রয়েছে। তাই তার আগেই তালিকা প্রকাশ করতে চায় স্কুল সার্ভিস কমিশন। ২৭ জানুয়ারি থেকে যাতে কাউন্সেলিং শুরু করা যায়, সেই চেষ্টাও চলছে। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য তথ্য যাচাই শেষ হয়েছে গত ৪ ডিসেম্বর ২০২৫। সে সময়ই ৩৫টি বিষয় নথি যাচাই প্রার্থীদের। সেখানে প্রায় ২০ হাজারের বেশি প্রার্থীরা ডাক পেয়েছেন।

সম্প্রতি, হাইকোর্টের নির্দেশে গত ২৭ ডিসেম্বর ১৫৪ জন চাকরিপ্রার্থীর তথ্য যাচাইয়ের জন্য নামের তালিকা প্রকাশ করে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। এই প্রার্থীদের তথ্য যাচাই হয় গত ৩০ ডিসেম্বর। সেখানে ৭৮ জন উপস্থিত ছিলেন এবং তার মধ্যে থেকে ৪৯ জন ইন্টারভিউ দিয়েছেন গত ৮ জানুয়ারি।

গত বছর ৭ নভেম্বর প্রকাশিত হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশনের একাদশ দ্বাদশ শ্রেণির জন্য শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল। গত বছর ১৪ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। রাজ্যের ৪৭৮টি কেন্দ্রে পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। পরীক্ষা নেওয়া হয় মোট ৩৫টি বিষয়ে। প্রতি বিষয়ে পরীক্ষার মোট নম্বর ছিল ৬০। একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির জন্য আবেদন করেছিলেন ২ লক্ষ ৪৬ হাজার ৫৪৩ জন। তাঁদের মধ্যে ৩,১২০ জন বিশেষ ভাবে সক্ষম‌। পরীক্ষায় বসেছিলেন ২ লক্ষ ২৯ হাজার ৬০৬ জন।

Advertisement
আরও পড়ুন