heat wave west bengal

গরমের দাপটে নাজেহাল রাজ্য, পড়ুয়াদের সচেতন করতে বিশেষ পদক্ষেপ স্কুলশিক্ষা দফতরের

গরমের হাত থেকে নিজেকে এবং পরিবারের প়ড়ুয়াদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এক প্রকল্প শুরু হল রাজ্যের স্কুলে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বিপর্যয় মোকাবিলা মন্ত্রকের ‘স্টে কুল, স্টে সেফ’ প্রকল্প শুরু করেছে। সেখানেই সামিল রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতর।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৯ জুন ২০২৬ ১৪:৫৬

— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

চলতি বছর বর্ষার ঘাটতি থাকতে পারে বলে আগেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ফলে গরমের দাপট অব্যাহত থাকবে বলেই আশঙ্কা। তাই দাবদাহ থেকে বাঁচতে সচেতন হওয়া প্রয়োজন।

Advertisement

গরমের হাত থেকে নিজেকে এবং পরিবারের প়ড়ুয়াদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য এক প্রকল্প শুরু হল রাজ্যের স্কুলে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় বিপর্যয় মোকাবিলা মন্ত্রকের ‘স্টে কুল, স্টে সেফ’ প্রকল্প শুরু করেছে। সেখানেই সামিল রাজ্যের স্কুলশিক্ষা দফতর। ছোটদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য সব স্কুলে পোস্টার প্রতিযোগিতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সমগ্র শিক্ষা মিশনের তরফে। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে অনলাইনে ওই পোস্টার জমা দিতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

কলকাতার এক স্কুলের শিক্ষক জানান, গত কয়েকবছর ধরেই আবহাওয়ার চরিত্র বদলেছে সারা বিশ্বের সঙ্গে এ রাজ্যেও। গরম শুষ্ক হাওয়ার আধিক্য দেখা দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে সকলেরই বাড়তি ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। এই রাজ্যে, বিশেষত গাঙ্গেয় এলাকায় আর্দ্র গরমের দাপটই ছিল এত কাল। পানাগড়, দুর্গাপুর, বাঁকুড়া বীরভূম-সহ বিভিন্ন জেলায় শুষ্ক গরমের প্রভাব থাকত। এখন সর্বত্রই আবহাওয়া পরিবর্তন হচ্ছে। সানস্ট্রোক বা শরীরের জলের অভাবজনিত অসুস্থতা বাড়ছে। সেই অবস্থায় ছাত্রছাত্রীদের সচেতন থাকা প্রয়োজন।

স্কুলশিক্ষা দফতর মনে করছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে পড়ুয়ারা তো সচেতন হবেই। পাশাপাশি অভিভাবকেরাও যুক্ত হয়ে যাবেন পোস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। সে ক্ষেত্রে তাঁদের মধ্যেও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে।

দফতরের এক আধিকারিক জানান, পোস্টার প্রতিযোগিতার ফলে পড়ুয়ারা বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হতে পারবে। মাধ্যমিক স্তরের সব জেলা স্কুল পরিদর্শকের কাছে এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল বলেন, “তাপপ্রবাহ বিষয়ে সচেতনতার জন্যে এই প্রতিযোগিতার উদ্যোগ ভাল। কিন্তু সেটা বাস্তবে প্রয়োগ হচ্ছে কি না তা-ও দেখতে হবে। এ ক্ষেত্রে স্কুলশিক্ষকেরাও ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করার দায়িত্ব নিলে ভাল হয়।”

Advertisement
আরও পড়ুন