Class XI–XII verification

একাদশ-দ্বাদশের সুপারিশপ্রাপ্তদের তথ্য যাচাইয়ের দিন ঘোষণা, প্রথম পর্বে ডাকা হল ৬২ জনকে

এসএসসি-র কাছ থেকে প্রার্থীদের সুপারিশ আসার চার ঘন্টার মধ্যে ৬২ জন চাকরিপ্রার্থীকে তথ্য যাচাইয়ের জন্য ডাকা হয়েছে। ২ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে সল্টলেকের ডিরোজিও ভবনে এই নথি যাচাই প্রক্রিয়া হবে

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৪৪
প্রতীকী চিত্র।

প্রতীকী চিত্র।

বুধবার ২৫ ফেব্রুয়ারি স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগে প্রথম পর্বের সুপারিশপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। আর শুক্রবার সন্ধ্যায় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীদের নথি যাচাইয়ের বিজ্ঞপ্তি দিল।

Advertisement

পর্ষদ সূত্রের খবর, এসএসসি-র কাছ থেকে প্রার্থীদের সুপারিশ আসার চার ঘন্টার মধ্যে ৬২ জন চাকরিপ্রার্থীকে নথি যাচাইয়ের জন্য ডাকা হয়েছে। ২ মার্চ দুপুর ১২টা থেকে সল্টলেকের ডিরোজিও ভবনে এই নথি যাচাই প্রক্রিয়া হবে।

পর্ষদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, প্রার্থীদের অরিজিনাল সমস্ত তথ্য-সহ ফটো নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে হাজির হতে হবে। এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হলে পরবর্তী ধাপে নিয়োগ সংক্রান্ত কোন‌ও সুবিধা মিলবে না বলেও স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে। নথি যাচাইয়ের জন্য শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র, সুপারিশপত্র, অ্যাডমিট কার্ড, পরিচয়পত্র-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে সম্পূর্ণ নথি ছাড়া উপস্থিত হলে যাচাই প্রক্রিয়ায় যোগ দেওয়া যাবে না। বলে বোর্ডের তরফ থেকে স্পষ্ট করে উল্লেখ করা হয়েছে।

মঙ্গল ও বুধবার মিলিয়ে প্রথম দফায় সাতটি বিষয়ে ১৮২ জন প্রার্থীকে ডাকা হয়েছিল। এর মধ্যে দু’দিনে সুপারিশপত্র পেলেন প্রায় ১৬৮ জন। মঙ্গলবার সুপারিশপত্র পেয়েছেন ৬৪ জন। ডাকা হয়েছিল ৬৭ জনকে। বাকি তিন জন অর্থনৈতিক ভাবে দুর্বল শ্রেণির প্রার্থী। কিন্তু সে সংক্রান্ত প্রামাণ্য নথিতে কিছু গরমিল থাকায় সুপারিশপত্র দেয়নি এসএসসি। আর বুধবার ১১৪ জন প্রার্থীকে হয়েছিল। তার মধ্যে সুপারিশপত্র হাতে পেল ১০৪ জন চাকরিপ্রার্থী। এসএসসি সূত্রের খবর, ১০ চাকরিপ্রার্থীর কৃষিবিদ্যা বিষয়ে বিএড ছাড়াও অতিরিক্ত ডিগ্রি থাকা দরকার ছিল। কিন্তু তা না থাকায় তাঁদের সুপারিশপত্র দেওয়া হয়নি।

প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির দায়ে ২০১৬-এর এসএসসি-র প্যানেল বাতিল হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি বাতিল হয়েছিল ২৬০০০ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীর। অবশেষে ফের পরীক্ষা দিয়ে নিয়োগপত্র হাতে পেলেন চাকরিহারা ‘যোগ্য’ শিক্ষক-শিক্ষিকারা। স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির সুপারিশপত্র দেওয়া শুরু হয়েছে। ১২,৪৪৫ শূন্যপদের মধ্যে প্রথম ধাপে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ৫০০টি শূন্যপদ নিয়োগে অনুমোদন দিয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন