যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। নিজস্ব চিত্র।
নির্বিঘ্নে মিটল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ কমিটির (আইসিসি)-র নির্বাচন। মঙ্গলবার বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়াদের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা এই নির্বাচনে যোগ দেন। এর আগে, গত ৮ এপ্রিল কলা এবং ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, মঙ্গলবার বেলা ১২টা থেকে দিবা বিভাগের স্নাতক এবং বিকেল ৪টা থেকে সান্ধ্য বিভাগের স্নাতকোত্তর স্তরের পড়ুয়াদের নির্বাচন আয়োজিত হয়। দু’দিনই নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ভাবে করানোটা চ্যালেঞ্জ ছিল বলে মনে করছেন কর্তৃপক্ষ। কারণ গত ফেব্রুয়ারিতে এই আইসিসি নির্বাচন ঘিরেই উত্তাল হয়েছিল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ২০ ফেব্রুয়ারি বিকেলে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে শেষ হতেই সায়েন্স-আর্টস মোড়ের কাছে ছাত্রদের মধ্যে শুরু হয় বিবাদ। মধ্যস্থতা করতে গিয়ে জখম হয়েছিলেন দুই অধ্যাপক রাজ্যেশ্বর সিংহ এবং ললিত মাধব।
তদন্ত কমিটি বসিয়ে অভিযুক্ত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাও নিতে হয়। সেই আবহে এই নির্বাচন বাড়তি চ্যালেঞ্জ ছিল বলেই মত যাদবপুরের অন্দরের। বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে জানানো হয়েছে, বিজ্ঞান বিভাগের ভোটে প্রার্থী ছিলেন ৭জন। রাত ৮ টা পর্যন্ত এই নির্বাচন চলে।
আইসিসি-এ বিজ্ঞান, কলা এবং ই়ঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগে থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তরের ১ জন করে মোট ৬ জন প্রতিনিধি থাকেন। আর একজন থাকেন পিএইচডি গবেষক। আগামী ২৭ এপ্রিল নির্বাচনের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সংগঠন জুটার সাধারণ সম্পাদক পার্থপ্রতিম রায় বলেন, “পড়ুয়ারা উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিয়েছেন। সব শান্তিপূর্ণ ভাবে হয়েছে। সরকারের কাছে আবারও আবেদন এ বার ছাত্রসংসদ নির্বাচন করতে তারা যেন উদ্যোগী হয়।”