প্রতীকী ছবি।
শুরু হল জুন ২০২৬ সেশনের ইউজিসি নেট (ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন-ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি টেস্ট)। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির তরফে নেওয়া হয় এই পরীক্ষা। দু’টি পর্বে পরীক্ষা চলবে।
২২ জুন প্রথম শিফটে ভিসুয়াল আর্টস, মিউজ়িয়োলজি অ্যান্ড কনজ়ারভেশন, পঞ্জাবি, তামিল, ভূগোল, মরাঠি, সাঁওতালি, এডুকেশন-সহ আরও নানা বিষয় পরীক্ষা হচ্ছে। পরীক্ষার্থীদের ডাউনলোড করা অ্যাডমিট কার্ডের কাগজের নথি সঙ্গে রাখতে হবে। পাশাপাশি মুঠোফোন-সহ কোনও রকম বৈদ্যুতিন যন্ত্র সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করা যাবে না।
পরীক্ষার সময়সীমা
ইউজিসি নেট অনলাইনে কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা (সিবিটি) পদ্ধতিতে নেওয়া হচ্ছে। পরীক্ষার মোট সময় ৩ ঘণ্টা (১৮০ মিনিট)। এই পরীক্ষা একটানা হবে, অর্থাৎ প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের মাঝখানে কোনও বিরতি দেওয়া হবে না। পরীক্ষার্থী নিজের সুবিধা মতো ৩ ঘণ্টার মধ্যে যে কোনও পত্রের উত্তর আগে বা পরে করতে পারেন। সংস্থার পক্ষ থেকে প্রকাশিত সময়সূচি অনুযায়ী, দু’টি শিফটে নানা বিষয়ে পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথম শিফটের পরীক্ষা সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় শিফটের পরীক্ষা বিকেল ৩টে থেকে সন্ধে ৬টা পর্যন্ত হবে।
প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্রের ভাগ
ইউজিসি নেট-এ মোট দু’টি পত্রের পরীক্ষা হয়। সব প্রশ্নই অবজেক্টিভ বা মাল্টিপল চয়েস (এমসিকিউ) ধরনের হয়।
প্রথম পত্র: প্রার্থী যে বিষয়ের পরীক্ষাই দিন না কেন, এই পত্র সবাইকে দিতে হয়। এর মূল উদ্দেশ্য, প্রার্থীর শিক্ষকতা করার মানসিকতা এবং গবেষণার দক্ষতা যাচাই করা। মোট প্রশ্ন থাকে ৫০টি। প্রতি প্রশ্নে দু’নম্বর করে দেওয়া হয়, অর্থাৎ ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।
দ্বিতীয় পত্র: প্রার্থীকে নিজের বিষয়ের পরীক্ষা দিতে হয় এই পত্রে। যা তিনি স্নাতকোত্তর স্তরে পড়েছেন। মোট প্রশ্ন থাকে ১০০টি। প্রতি প্রশ্নে দু’নম্বর করে দেওয়া হয়, অর্থাৎ ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়।
চলতি বছর উত্তর-পূর্বের চারটি রাজ্যের জন্য আরও কেন্দ্র বরাদ্দ করেছে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (এনটিএ)। অরুণাচল প্রদেশ, মণিপুর, মেঘালয় এবং সিকিম-এ একটি করে পরীক্ষাকেন্দ্র সংযোজন করা হয়েছে। উল্লিখিত রাজ্যের নামসাই, কাকচিং, বিষ্ণুপুর এবং চেরাপুঞ্জি কেন্দ্রগুলি পরীক্ষার্থীরা বেছে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। উল্লিখিত রাজ্যগুলি ছাড়াও অসম, মিজ়োরাম, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরার পরীক্ষার্থীরাও প্রতিবেশী রাজ্যে কেন্দ্র বেছে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
প্রতি বছরই জুন ও ডিসেম্বর মাসে ইউজিসি নেট আয়োজিত হয়। পরীক্ষা আয়োজনের দায়িত্বে থাকে জাতীয় পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা (এনটিএ)। এটি ‘জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপ’ প্রদান এবং দেশের বিভিন্ন কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ নিয়োগের জন্য যোগ্যতা নির্ণায়ক পরীক্ষা। আবেদনকারীকে ইউজিসি স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অন্তত ৫৫ শতাংশ নম্বর নিয়ে স্নাতকোত্তর উত্তীর্ণ হতে হয়, এই পরীক্ষায় বসার জন্য। যদিও সংরক্ষিত বিভাগের প্রার্থীদের জন্য বয়সের ছাড় দেওয়া হয়।