গোলের পর লামিন ইয়ামালের উল্লাস। ছবি: রয়টার্স।
চার বছর আগে ২০২২ সালে কাতারে যখন স্পেন বিশ্বকাপ খেলতে নামছে, তখন তিনি স্কুলে পড়েন। বাড়িতে টেলিভিশনেই দেখেছিলেন বিশ্বকাপ। সে দিনের সেই স্কুলছাত্র লামিন ইয়ামালই এখন তারকা। প্রথম ম্যাচে কাবো ভার্দের কাছে আটকে গিয়েছিল স্পেন। কিন্তু দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ে ফিরেছে তারা। সেই জয়ের শুরুটা হয়েছে ইয়ামালের পায়ে। সে দিনের সেই স্কুলছাত্র নজর কেড়েছেন বিশ্বকাপ অভিষেকে।
চোট থাকায় প্রথম ম্যাচে ইয়ামালকে শুরু থেকে খেলাননি স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে। শেষ দিকে নামিয়েছিলেন। কিন্তু তত ক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ঝুঁকি নেননি স্পেনের কোচ। শুরু থেকে নামান ইয়ামালকে। কোচের ভরসার দাম দিয়েছেন ইয়ামাল। স্পেনের প্রথম গোল করেন তিনিই। তার পর আর আটকানো যায়নি ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নদের। ৪-০ গোলে সৌদিকে হারিয়েছে স্পেন।
খেলা শেষে ইয়ামাল জানিয়েছেন, তাঁর স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছে। তিনি বলেন, “আমি সবসময় স্বপ্ন দেখেছি বিশ্বকাপে খেলার। সেই স্বপ্ন পূর্ণ হয়েছে। প্রথম ম্যাচে গোলও করেছি। এর থেকে ভাল মুহূর্ত আর কী হতে পারে?”
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
চার বছর আগের কথা শোনা গিয়েছে ইয়ামালের মুখে। সে দিন আর এ দিনের মধ্যে বিস্তর তফাত। ইয়ামাল বলেন, “গত বিশ্বকাপ বাড়িতে বসে দেখেছিলাম। তখন স্কুলে পড়তাম। আর সৌদির বিরুদ্ধে আমার পরিবার গ্যালারিতে বসে আমার খেলা দেখল। চার বছরে কত কিছু বদলে গেল।”
পেলের পর দ্বিতীয় কিশোর হিসাবে বিশ্বকাপে গোল করে করেছেন ইয়ামাল। এত অল্প বয়সেই তারকা তিনি। ক্লাব ফুটবলে দাপট দেখিয়েছেন। স্পেনকে গত ইউরো কাপ জেতাতে বড় ভূমিকা নিয়েছেন। এ বার বিশ্বকাপের পালা।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
বিশ্বকাপের শুরুতেই হোঁচট খেয়েছিল স্পেন। অনেক সমালোচনা হয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে জবাব দিয়েছে তারা। ইয়ামাল বলেন, “প্রথম ম্যাচে ভাল খেলতে পারিনি। একটা ম্যাচে সেটা হতেই পারে। দ্বিতীয় ম্যাচে স্পেনকে দেখা গিয়েছে। আর থামতে চাই না।” এ বার সামনের দিকে তাকাতে চায় স্পেন। তার বছর আগের এক স্কুলছাত্রের পায়ে ভরসা করছে তারা।