TMC’s Bank Accounts

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ‘তালা’ খুলতে হাই কোর্টের দ্বারস্থ তৃণমূল! তবে টিকল না দ্রুত শুনানির আর্জি

ফ্রিজ় হওয়া অ্যাকাউন্টগুলিতে ডেবিটের সুবিধা চালু করার জন্য আদালতে গেল তৃণমূল। তাদের হয়ে হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী কিশোর দত্ত। তাঁর বক্তব্য, এগুলি রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্ট।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ১১:৪৭
কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল।

কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ‘তালা’ খুলতে এ বার হাই কোর্টের দ্বারস্থ হল তৃণমূল। তাদের তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের ডেবিট (টাকা তোলার সুবিধা) ‘ফ্রিজ়’ হয়ে গিয়েছে। তা খোলার জন্য সোমবার আবেদন জানানো হয় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে। দ্রুত শুনানিরও আর্জি জানায় তারা। তৃণমূলকে মামলা দায়েরের অনুমতি দিলেও দ্রুত শুনানির আর্জি খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি। আগামী বুধবার এই মামলার শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে।

Advertisement

গত শুক্রবার একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কে তৃণমূলের তিনটি অ্যাকাউন্টে লেনদেন বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে আপাতত ওই তিনটি অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলা বা লেনদেন বন্ধ রাখার জন্য বলা হয়। ঘটনাচক্রে, গত বৃহস্পতিবারই দক্ষিণ ২৪ পরগনার এক বিধায়ক বিধাননগর পুলিশের সাইবার থানায় ওই একই বেসরকারি ব্যাঙ্কের তিনটি অ্যাকাউন্ট নম্বর দিয়ে অভিযোগ করেছেন, পদ এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে বেআইনি ভাবে পাওয়া অর্থ জমা রয়েছে ওই অ্যাকাউন্টগুলিতে।

এ বার ওই ফ্রিজ় হওয়া অ্যাকাউন্টগুলিতে ডেবিট চালু করার জন্য আদালতে গেল তৃণমূল। তাদের হয়ে হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন আইনজীবী কিশোর দত্ত। তাঁর বক্তব্য, এগুলি একটি রাজনৈতিক দলের অ্যাকাউন্ট। এ অবস্থায় জরুরি শুনানির আর্জি জানান তিনি। তবে এই মামলায় পুলিশের কী করণীয়, তা নিয়ে প্রশ্ন করেন বিচারপতি। তাতে আইনজীবী জানান, পুলিশি অভিযোগের কারণেই ব্যাঙ্ক এমনটা করেছে। এ অবস্থায় তৃণমূলকে মামলা দায়ের করার অনুমতি দিলেও দ্রুত শুনানির আর্জি ফিরিয়ে দেন বিচারপতি। তিনি বলেন, “মামলা ফাইল করতে পারেন। তবে আজ, কাল নয়। পরশু আসুন শুনানির জন্য।”

দক্ষিণ ২৪ পরগনার ওই বিধায়কের অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে এফআইআর রুজু করে তদন্ত শুরু করে বিধাননগর পুলিশ। ওই তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মালিক কে বা কারা, তার কোনও উল্লেখ অভিযোগপত্রে নেই। তবে কয়েক বছর আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে যে তথ্য পেশ করা হয়েছিল তাতে দেখা যাচ্ছে, একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নামে। অন্য দু’টি অ্যাকাউন্টের একটি দলের ত্রিপুরা শাখা এবং অন্যটি দলের গোয়া শাখার নামে নথিভুক্ত।

Advertisement
আরও পড়ুন