নিজস্ব চিত্র।
ভুল তথ্য দেওয়ায় নাম বাদ পড়েছিল প্রায় ১৩০০ প্রার্থীর। তাঁদের মধ্যে তিন জনকে ফের ডেকে পাঠাল স্কুল সার্ভিস কমিশন।
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগের জন্য তথ্য যাচাই শেষ হয়েছে গত ৪ ডিসেম্বর। সে সময়ই ৩৫টি বিষয় নথি যাচাই পর্বে অনুপস্থিতি এবং ভুল তথ্য দেওয়ার কারণে বাদ পড়ে বহু প্রার্থীর নাম। এসএসসি-র দাবি, এঁদের মধ্যে তিন প্রার্থীর নাম বাদ পড়েছিল তথ্য যাচাইয়ের ত্রুটির কারণে। তাই ওই তিন জনকে ইন্টারভিউয়ের বসার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এই তিন প্রার্থী হলেন, শ্রুতি মণ্ডল, সত্যজিৎ সাহা এবং জগজীবন সরকার। এঁরা তিন জনই কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের প্রার্থী। গত ডিসেম্বরে প্রার্থীপদ বাতিল হওয়ার পর তাঁরা দাবি করেন, তথ্য যাচাইয়ে ত্রুটি ছিল।
তার প্রেক্ষিতেই স্কুল সার্ভিস কমিশন সব দিক খতিয়ে দেখে ইন্টারভিউয়ের জন্য ওই তিন জনকে ডেকে পাঠিয়েছে। আগেই জানানো হয়েছিল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ৪৬ জন প্রার্থীর নতুন করে ইন্টারভিউ হবে ৮ জানুয়ারি ২০২৫। ওই দিনই এই তিন প্রার্থীকেও ডাকা হয়েছে।
স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান সিদ্ধার্থ মজুমদার বলেন, “তথ্য যাচাইয়ে ওই তিন প্রার্থীর ক্ষেত্রে কিছু ত্রুটি থেকে গিয়েছিল। একজন একলব্য স্কুলে চাকরি করা সত্ত্বেও অভিজ্ঞতার নম্বর দেওয়া দেওয়া হয়নি। অন্য দু’জনের সংরক্ষণের আওতায় পড়েন। তাঁদের প্রার্থীপদ পুনর্বিবেচনা করা হয়েছে।”
সূত্রের খবর, ওই তিন প্রার্থীর এক জন, শ্রুতি মণ্ডল। তাঁর অস্থি বা পেশি সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে। দ্বিতীয় জন সত্যজিৎ সাহারও শারীরিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। অন্য দিকে জগজীবন সরকার ২০২৫ এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার আগে একলব্য স্কুলে চাকরি করতেন। তাঁকে অভিজ্ঞতার ১০ নম্বর না দেওয়ায় তিনি ইন্টারভিউয়ে ডাক পাননি।
তবে, এসএসসি-র এই ত্রুটি প্রকাশ হওয়ায় নতুন করে বিতর্কের জন্ম হতে চলেছে বলে আশঙ্কা করছেন শিক্ষকদের একাংশ। শিক্ষক সংগঠনগুলির দাবি, তথ্য যাচাইয়ে কমিশনের অতিরিক্ত সতর্ক থাকা প্রয়োজন ছিল। তাদের প্রশ্ন, এমন ভুল যে অন্য কারও সঙ্গে ঘটেনি, তারই বা প্রমাণ কোথায়? চূড়ান্ত মেধাতালিকা প্রকাশের পর যদি ফের কোনও প্রার্থী অভিযোগ দায়ের করেন, মামলা করেন, তা হলে কী হবে? গোটা প্যানেল ফের প্রশ্নের মুখে পড়বে বলেই আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
[5:07 pm, 6/1/2026] arunava Ghosh: