রেডিয়োলজিস্ট হওয়ার খুঁটিনাটি। ছবি: সংগৃহীত।
কোনও বড় চোট পেলেও সিটি স্ক্যান করাতে হয়। আবার এমআরআই করার পরামর্শও দেওয়া হয়। কিছু যন্ত্রের সাহায্যে শারীরিক পরীক্ষা করেন যিনি, তিনিই রেডিয়োলজিস্ট। এই পেশায় নিযুক্ত হওয়ার জন্য কী পড়তে হয়, কোথায় পড়া যায়? সেই সব আলোচনা করা হল এই প্রতিবেদনে।
কী পড়তে হয়?
রেডিয়োলজিস্ট হওয়ার জন্য দ্বাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগে উত্তীর্ণের হওয়ার পর স্নাতক স্তরের ন্যাশনাল এন্ট্রান্স
কাম এলিজিবিলিটি টেস্ট (নিট) উত্তীর্ণ হতে হয়। তারপর সাড়ে পাঁচ বছরের এমবিবিএস কোর্স সম্পূর্ণ করতে হয়। রেডিয়োলজিতে স্পেশ্যালাইজ় করার জন্য নিট পিজি উত্তীর্ণ হতে হয়। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে এমডি, ডিপ্লোমা করার সুযোগ থাকে এমবিবিএস-এর পর। দুই থেকে তিন বছরের কোর্স হয়। তবে এর পরেও সুপার স্পেশ্যালাইজ় করার সুযোগও থাকে। কেউ চাইলে নিউরোরেডিয়োলজি-সহ আরও বিভাগে ডক্টর অফ মেডিসিন পড়তে পারেন। এমবিবিএস ডিগ্রির পর রেডিয়োলজি নিয়ে পড়াশোনা শেষ হলে স্টেট মেডিক্যাল কাউন্সিলের তরফে রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
কোথায় কোথায় পড়ানো হয়?
কলকাতার মধ্যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ, এসএসকেএম এবং মেডিক্যাল কলেজে রেডিয়োলজি নিয়ে উচ্চস্তরের পাঠ পড়ানো হয়। তবে আরও অনেক প্রতিষ্ঠানেই পড়ানো হয় এই বিষয়ে।
পেশাগত সুযোগ সুবিধে
সরকারি হাসপাতালে তো সংশ্লিষ্ট বিভাগে চাকরির সুযোগ থাকেই তবে বেসরকারি হাসপাতালেও কাজের সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন প্যাথলজিক্যাল ল্যবরেটরিতেও চাকরির সুযোগ রয়েছে এই বিষয়ে পড়ার পর।