জেইএমএসসিএন-এর বিস্তারিত তথ্য। ছবি: সংগৃহীত।
ওয়েস্ট বেঙ্গল জয়েন্ট এন্ট্রান্স এগ্জ়ামিনেশন বোর্ডের (ডব্লিউবিজেইইবি) তরফে ২০২৬-এর রাজ্যে স্নাতকোত্তর স্তরে নার্সিং পড়ার প্রবেশিকা অর্থাৎ জেইএমএসসিএন আয়োজিত হতে চলেছে ৭ জুন। ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে আবেদন গ্রহণ প্রক্রিয়া।
জেইএমএসসিএন কী?
এই প্রবেশিকায় উত্তীর্ণ হলে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে মেধাতালিকা অনুযায়ী সরকারি, সরকারপোষিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে নার্সিং-এ স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তি হওয়া যায়।
যোগ্যতা যাচাই
ভারতের নাগরিক হতে হবে। নার্সিং অথবা পোস্ট বেসিক নার্সিং-এ ব্যাচেলর অফ সায়েন্স ডিগ্রি থাকতে হবে। দূরশিক্ষা ও মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে পড়লেও বসা যাবে প্রবেশিকায়। ইতিমধ্যে রাজ্য সরকার অধীনস্থ নার্সিং কর্মী হলে বয়স ৫৩ বছরের মধ্যে হতে হবে। আর কর্মরত না হলে বয়সের কোনও মাপকাঠি নেই। সরকারি নার্স হলে অন্তত তিন বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। পাশাপাশি স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির সময় চাকরির জায়গার অনুমতি পত্র জমা দিতে হবে। বাকি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এক বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
পরীক্ষার ধরন
একটি ভাগেই পরীক্ষা হয়। মোট ১০০টি প্রশ্ন থাকে ৯০ মিনিট সময় দেওয়া হয়। ওএমআর (অপটিক্যাল মার্ক রেকগনিশন) শিটের মাধ্যমে পরীক্ষা হবে। এমসিকিউ-এমসিকিউ ভিত্তিক প্রশ্ন থাকে। প্রতি প্রশ্নে নম্বর থাকে এক ও দুই করে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে নেগেটিভ মার্কিং-ও রয়েছে, অর্থাৎ ভুল উত্তর দিলে নম্বর কাটা হবে।
কোন কোন বিষয়ে পরীক্ষা
অ্যানাটমি, ফিজিয়োলজি, সোশিয়োলজি, সাইকোলজি, মাইক্রোবায়োলজি, প্যাথলজি, ফার্মাকোলজি, জেনেটিক্স, অ্যাডমিনিস্ট্রেশন, এডুকেশন, রিসার্চ অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্স, ফাউন্ডেশন অফ নার্সিং, মেডিক্যাল সার্জিক্যাল নার্সিং, পেডিয়াট্রিক নার্সিং, সাইকিয়াট্রিক নার্সিং, অবস্টেট্রিক নার্সিং এবং কমিউনিটি হেলথ নার্সিং বিষয় থেকে প্রশ্ন করা হবে।
নিয়মাবলি
পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ করতে হবে। নির্দিষ্ট পরীক্ষাকেন্দ্রেই যেতে হবে। অন্য কেন্দ্র থেকে পরীক্ষা দেওয়া যাবে না। অ্যাডমিট কার্ডের কাগজের নথি, রঙিন ছবি (যেটি আবেদনের সময় ব্যবহার করা হবে), সরকারি পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
ক্যলকুলেটর, ঘড়ি, কলম, মুঠোফোন, ব্লুটুথ ডিভাইস নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশ নিষেধ।এই পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এবং শর্তাবলি জানা যাবে রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রাস বোর্ডের ওয়েবসাইট থেকে।