Teachers Movement

মুক্তি দিতে হবে এজেন্সির হাত থেকে, চাই যোগ্য সাম্মানিক! পথে সরব চুক্তিভিত্তিক বৃত্তিমূলক শিক্ষকেরা

২০১৩-র পর দীর্ঘ ১৩ বছরে একবারও তাঁদের বেতন বৃদ্ধি হয়নি বলে অভিযোগ। ২০১৩ সালে মাত্র ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি জীবন শুরু করেছিলেন। তার পর থেকে বাজার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে অনেকটাই। কিন্তু বেতন বাড়েনি এক টাকাও। সে বেতনও অবশ্য বন্ধ গত ডিসেম্বর থেকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৮:৩১

— প্রতীকী চিত্র।

বঞ্চনার প্রতিবাদে পথে নামলেন চুক্তিভিত্তিক বৃত্তিমূলক শিক্ষকেরা। মঙ্গলবার শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরে ট্যাক্সি স্ট্যান্ড থেকে ধর্মতলার পর্যন্ত বিক্ষোভ মিছিল করার কথা ছিল। কিন্তু বৃষ্টির কারণে মিছিল করতে না পেরে শিয়ালদহ স্টেশনের বাইরেই জমায়েত করেন তাঁরা। দাবি আদায়ে সরব হন।

Advertisement

এই শিক্ষকেরা মূলত মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের কম্পালসারি স্কিল বিষয় পড়ান। ২০১৩-র পর দীর্ঘ ১৩ বছরে একবারও তাঁদের বেতন বৃদ্ধি হয়নি বলে অভিযোগ। ২০১৩ সালে মাত্র ১৫ হাজার টাকা বেতনে চাকরি জীবন শুরু করেছিলেন। তার পর থেকে বাজার মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে অনেকটাই। কিন্তু বেতন বাড়েনি এক টাকাও। সে বেতনও অবশ্য বন্ধ গত ডিসেম্বর থেকে। ইউনাইটেড ওয়েস্টবেঙ্গল এনএসকিউএফ (ন্যাশনাল স্কিল কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক) টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি নিরুপম কোলে জানান, গোটা রাজ্যে প্রায় ১৬০০-র বেশি স্কুলে পূর্ণসময়ের চুক্তিভিত্তিক প্রায় তিন হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন এই বৃত্তিমূলক শিক্ষায়। তাঁরা ক্লাস করাচ্ছেন, তাঁদের থেকে শিক্ষা নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের জীবনে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছেন। কিন্তু তাঁদের অবস্থা ক্রমেই শোচনীয় হয়ে উঠছে।

এ দিন বেলা সাড়ে ১০টা থেকেই জমায়েত শুরু হয়। কিন্তু বৃষ্টির কারণে মিছিল আর এগোতে পারেনি। ওই স্থানেই বহু শিক্ষক শিক্ষিকা জমায়েত করেন।

বেতন বৃদ্ধি ছাড়াও তাঁরা দাবি তোলেন, এজেন্সির হাত থেকে তাঁদের মুক্তি দিতে হবে। কারিগরি শিক্ষা দফতর থেকে তাঁদের স্কুলশিক্ষা দফতরের অধীনে নিয়ে আসতে হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন