Kareena Kapoors Fitness Tips

জন্মগত নয়, সুগঠিত চোয়াল শ্রমের ফল, করিনা কপূরের উদ্যম নিয়ে কী বলছেন তাঁর প্রশিক্ষক

দুই সন্তানের মা হওয়ার পরেও করিনা কপূরের বর্তমান চেহারা প্রশংনীয়। ফিটনেস নিয়‌ে কোনও রকম আপস করেন না তিনি। বরং করিনার শরীরচর্চার ভিডিয়ো আলোচনায় থাকে প্রায়শই। তীক্ষ্ম চোয়াল পেতে কী করলেন অভিনেত্রী?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৯:২৮
করিনা কপূরের মতো সুগঠিত চোয়ালের স্বপ্ন থাকলে বাস্তবে কী করতে হবে?

করিনা কপূরের মতো সুগঠিত চোয়ালের স্বপ্ন থাকলে বাস্তবে কী করতে হবে? ছবি: সংগৃহীত।

দুই সন্তানের মা হওয়ার পরেও তাঁর ফিটনেস চর্চায় বাধা পড়েনি। বরং করিনা কপূরের মতো শিক্ষার্থী পেয়ে উচ্ছ্বসিত তাঁর ফিটনেস প্রশিক্ষক মহেশ ঘনেকর। করিনা শুধু বলিউড অভিনেত্রী বলে নয়, বরং তাঁর শরীরচর্চার উদ্যম, পরিশ্রমের মানসিকতা দেখেই বার বার মুগ্ধ হয়েছেন মহেশ।

Advertisement

৪৫-এও তন্বী করিনা কপূর। নির্মেদ শরীর, সুগঠিত চোয়াল। তাঁর রূপের গুণমুগ্ধও কম নেই। অনেকেই ভাবেন রূপ জন্মগত বিষয়। তবে সেই ধারণাই ভাঙলেন মুম্বইয়ের তারকাদের ফিটনেস প্রশিক্ষক মহেশ। তিনি স্পষ্ট করলেন, অভিনেত্রীর সুগিঠত চোয়াল জন্মগত নয়, নেপথ্যে রয়েছে ঘাম ঝরানো শ্রম, ডায়েট এবং কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন।

করিনা কপূরের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে চোখ রাখলেই দেখা যাবে, ডাম্বেল, কেটলবেল, বাম্পার প্লেট নিয়ে অনায়াস দক্ষতায় শারীরিক কসরত করছেন অভিনেত্রী। বাড়িতেই জিমে নিয়ম করে শরীরচর্চা করেন নায়িকা। ওজন তোলা, যোগিক স্ট্রেচ-সহ একাধিক শরীরচর্চার ভিডিয়ো পোস্ট করে মহেশ লিখেছেন— “বহিরঙ্গের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ প্রচেষ্টার ফল এমন তীক্ষ্ম চোয়াল।”

চোয়ালের গড়নের সঙ্গে মুখের সৌন্দর্য সম্পর্কিত। মূল কাঠামো বদল করা যায় না বটে, তবে চোয়ালে যাতে এতটুকু বাড়তি মেদ না জমে, সে ব্যবস্থা করা যায়। শরীরচর্চা, সঠিক ফেশিয়াল এক্সারসাইজ়, কঠোর ডায়েট, জীবনযাপন নিয়ন্ত্রণের সম্মিলিত ফলস্বরূপ এমন তীক্ষ্ম মুখের আদল মেলে, মানছেন প়ঞ্জাবের পুষ্টিবিদ এবং ফিটনেস প্রশিক্ষক গরিমা গয়াল। তিনি মনে করাচ্ছেন, সুন্দর চেহারার নেপথ্যে সঠিক জীবনযাপন শৈলী এবং ডায়েটও জরুরি।

ওজন বাড়লে মেদ শুধু তলপেট বা ঊরুতে নয়, থুতনির নীচে, গালেও জমতে থাকে। শুধুমাত্র কয়েকটি ফেশিয়াল এক্সারসাইজ় বা মুখের ব্যায়াম করে সেই মেদ গলিয়ে ফেলা যায় না। বরং সঠিক খাদ্যাভ্যাসও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। প্রয়োজন হবে সারা শরীর থেকেই মেদ গলানোর। ওজন নিয়ে ব্যায়াম করলে, বিপাক হার ঠিক রাখতে পারলে তবেই ফল মেলে। মেদ ঝরে চোয়ালের আকৃতি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মুখ তীক্ষ্ম দেখায়।

দুই ছেলের মা করিনা কপূর। সন্তান জন্মানোর পর তাঁর ওজনও বেড়েছিল। তখন থেকেই ব্যক্তিগত প্রশিক্ষকের পরামর্শে শরীরচর্চা করে চলেছেন তিনি। এমন উদ্যমী ছাত্রী পেয়ে অভিভূত মহেশও উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরেছেন করিনার শ্রমকে। আগেও অভিনেত্রীর তন্বী চেহারার নেপথ্যে পরিশ্রমকে মর্যাদা দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন ‘‘কোনও ফিল্টার নয়, শর্টকার্ট নয়, কঠোর পরিশ্রমেই প্রকৃত ফল মেলে।’’

ফিটনেস প্রশিক্ষকদের কথায় স্পষ্ট, সৌন্দর্য ধরে রাখা সম্ভব, চেষ্টা করলে মুখের আদল ধারালোও করা যায়। তবে তা কঠোর শ্রমের দ্বারাই সম্ভব।

Advertisement
আরও পড়ুন