— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
দেশে যৌন হেনস্থা, গার্হস্থ্য হিংসা, সাইবার প্রতারণার মতো অপরাধের শিকার হন হাজার হাজার মানুষ। নিয়মিত সংবাদ শিরোনামে উঠে আসে নানা অপরাধের ঘটনা। সেই সব ঘটনার নিয়ম মাফিক তদন্তও চলে। যিনি বা যাঁরা অপরাধের শিকার তাঁদেরও ওই প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। ভুক্তভোগীদের আইনি সহায়তা করতে, মানসিক ভাবে সহযোগিতা করে থাকেন বিশেষজ্ঞেরা।
সে জন্য পড়তে হয় ভিক্টিমোলজি নিয়ে। ক্রিমিনোলজি বা অপরাধবিদ্যার বিশেষ শাখায় এই বিষয়টি নিয়ে উচ্চশিক্ষার সুযোগ রয়েছে। যাঁরা দ্বাদশের পর এই বিষয় নিয়ে পড়তে চান, তাঁরা কী ভাবে শুরু করবেন? রইল বিশদ তথ্য।
পড়াশোনা:
কোথায় পড়ানো হয়?
মাদ্রাস বিশ্ববিদ্যালয়, ন্যাশনাল ফরেন্সিক সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটি, আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল ওপেন ইউনিভার্সিটি, ওসমানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়-এ উল্লিখিত বিষয়টি নিয়ে পড়ানো হয়ে থাকে।
চাকরি:
উল্লিখিত বিষয়ে পড়াশোনার পর ভিক্টিম সাপোর্ট অফিসার, ট্রমা কাউন্সেলর, রিহ্যাবিলিটেশন অফিসার, পুলিশ রিসার্চ অফিসার, প্রোবেশন অফিসার, প্রিজ়ন ওয়েলফেয়ার অফিসার, লিগ্যাল রিসার্চার, কোর্ট সাপোর্ট অফিসার পদে চাকরির সুযোগ থাকে। এ ছাড়াও সাইবার অপরাধ বা গার্হস্থ্য হিংসা দমন বিভাগের অধীনে সাপোর্ট অফিসার হিসাবেও কর্মী নিয়োগ করা হয়ে থাকে।