Program on Blockchain

ডিজিটাল পদ্ধতিতে টাকার লেনদেন, নেপথ্যে ভরসা প্রযুক্তি! জ্ঞান অর্জনের সুযোগ কোথায় কেমন?

প্রযুক্তির দৌলতে মানুষকে পুরোপুরি স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যেই ডিজিটাল মুদ্রা ব্যবস্থার প্রচলন। এই লেনদেন যে পরিকাঠামোর সাহায্যে করা হয়, তার বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠার বিষয়ে রইল সুলুক সন্ধান।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৪১

ছবি: এআই।

ক্রিপ্টোকারেন্সিতে লেনদেন নিয়ে বিস্তর আলোচনা হয় নেটদুনিয়ায়। এর মধ্যে সর্বাধিক পরিচিত বিটকয়েন। এই ধরনের ডিজিটাল মুদ্রা লেনদেনের জন্য একটি বিশেষ প্রযুক্তি নির্ভর পরিকাঠামো রয়েছে। সেই পরিকাঠামোকে এককথায় ব্লকচেন বলা হয়। প্রযুক্তির সাহায্যে বিভিন্ন কম্পিউটারের তথ্য সংগ্রহ করে সরাসরি তার মাধ্যমেই টাকা ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেয় ব্লকচেন। টাকার আদান প্রদানের সঙ্গে তথ্য পৌঁছে দেওয়ার কাজটিও ওই মাধ্যমের সাহায্যে করা যায়।

Advertisement

ব্লকচেন কোন কোন ক্ষেত্রে কাজে লাগে?

ক্রিপ্টোকারেন্সি ছাড়াও অনলাইন গেমিং, সাপ্লাই চেন ট্র্যাকিং, ব্যাঙ্কিং এবং ফিনান্স সংক্রান্ত কাজের পাশাপাশি, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং সরকারি বিভাগের তথ্য সংগ্রহ করে রাখতে ব্লকচেন ব্যবহার করা হয়। এই পদ্ধতিতে তথ্যের আদানপ্রদান সুরক্ষিত থাকে।

দ্বাদশের পর এই পরিকাঠামোর কর্মকৌশল শেখা যায়?

বিজ্ঞান, বাণিজ্য এবং কলা বিভাগের অধীনে দ্বাদশ উত্তীর্ণ হওয়ার পর ব্লকচেন নিয়ে পড়াশোনার সুযোগ সরাসরি মেলে না। এর জন্য পড়ুয়াদের স্নাতক স্তরে কম্পিউটার সায়েন্স, কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ইনফরমেশন টেকনোলজি, কৃত্রিম মেধা এবং ডেটা সায়েন্স-এর মতো বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করতে হবে। তার সঙ্গেই ব্লকচেন নিয়ে জ্ঞান অর্জনের সুযোগ থাকে।

তবে, পুণের সাবিত্রীবাই ফুলে বিশ্ববিদ্যালয়, ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজি (আইআইআইটি) প্রতিষ্ঠান-সহ বেশ কিছু বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে বর্তমানে ব্লকচেন টেকনোলজি বিষয়ে স্নাতক স্তরের কোর্স করানো হয়।

ছবি: সংগৃহীত।

আরও কী কী বিষয়ে থাকতে হবে দক্ষতা?

কোর্স ভিত্তিক পড়াশোনার মাধ্যমে ব্লকচেন ব্যবহারের কৌশল সম্পর্কে শেখাই যথেষ্ট নয়। এর সঙ্গে পাইথন, জাভাস্ক্রিপ্ট, ডেটা স্ট্রাকচার, নেটওয়ার্কিং সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। জানতে হবে ক্রিপ্টোকারেন্সি কী ভাবে কাজ করে, বিভিন্ন ধরনের সিস্টেম-এ ব্লকচেন পরিচালনা করা হয় কী ভাবে?

এ ক্ষেত্রে যাঁরা কম্পিউটার সায়েন্স কিংবা সমতুল বিষয় নিয়ে স্নাতকে পড়াশোনা করেছেন, তাঁদের এই বিষয়গুলি আলাদা করে শিখতে হয় না। তবে, কলা শাখার বিভিন্ন বিষয়ের পড়ুয়াদের অনলাইনে কিংবা হাইব্রিড মোডে বিভিন্ন ধরনের কোর্স করে নিতে হবে।

পড়াশোনার সঙ্গেই চলবে পোর্টফোলিও-র কাজ:

প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে বদলায় কর্মকৌশল। তাই বিষয় বিশেষজ্ঞ হয়ে ওঠার জন্য থিয়োরির প্রয়োগও যথাযথ ভাবে করা প্রয়োজন। এই বিভাগে কাজের চাহিদা বেশি থাকায় পোর্টফোলিও-র উপর ভিত্তি করে প্রজেক্টে যোগদানের সুযোগ পাওয়া যায়। তাই যা শেখা হয়েছে, তার তথ্যকে কাজ লাগিয়ে বিভিন্ন ধরনের ওয়ালেট, ভোটদানের বিশেষ সিস্টেম, সাপ্লাই চেন ট্র্যাকিং অ্যাপ তৈরি করতে হবে। তবেই বিভিন্ন সংস্থায় আবেদনের সুযোগ মিলবে।

Advertisement
আরও পড়ুন