ডোমকলের তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
তিনি হুগলির চন্দননগরের পুলিশ কমিশনার ছিলেন। অবসরের মাস তিনেক আগে চাকরি থেকে ইস্তফা দেওয়ার পরই তৃণমূলে যোগ দেন। সাল ২০২১। আর ওই বছরেই পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হন। তাঁর বিরুদ্ধে প্রার্থী ছিলেন বিজেপি প্রার্থী তথা আর এক আইপিএস ভারতী ঘোষ। তবে শেষ হাসি হেসেছিলেন হুমায়ুন কবীরই। এ বার ডেবরা নয়, প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার তথা বিধায়ক হুমায়ুনকে কিন্তু এ বার মুর্শিদাবাদের ডোমকল কেন্দ্রের প্রার্থী করা হয়েছে।
গত ২ এপ্রিল মনোনয়ন জমা দিয়েছেন হুমায়ুন। তাঁর হলফনামা অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, গত পাঁচ বছরে তাঁর স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণের বিশেষ হেরফের হয়নি। তাঁর বিরুদ্ধে বর্ধমান এবং আউশগ্রাম থানায় দু’টি এফআইআর হয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের সিজেএম আদালতে একটি মামলা রয়েছে। তবে কোনওটিতেই চার্জ গঠন হয়নি।
২০২৬ সালে হুমায়ুনের দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময় তাঁর যা স্থাবর এবং অস্থাবর সম্পত্তি ছিল, এ বারও সেই পরিসংখ্যানে কোনও বদল হয়নি। ২০২৬ সালের হলফনামা অনুযায়ী, হুমায়ুনের স্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৪০ লক্ষ ২৮ হাজার। অস্থাবর সম্পত্তির পরিমাণ ৬ লক্ষ ৯৭ হাজার ৩৩১। অর্থাৎ ২০২১ সালের হলফনামায় যে সম্পত্তি দেখিয়েছিলেন তিনি, এ বছরের নির্বাচনে সেই সম্পত্তির পরিমাণ একই রয়েছে। এ বছরের হলফনামায় হুমায়ুন দেখিয়েছেন, তাঁর তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট রয়েছে। স্থায়ী আমানতের পরিমাণ ২ কোটি ৬৫ লক্ষ ৯২ হাজার ৩৫৩ টাকা ৩১ পয়সা রয়েছে। হাতে নগদ টাকা রয়েছে ২০ হাজার ৫৭০ টাকা। মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগের পরিমাণ ১ কোটি ৩৪ লক্ষ ৯ হাজার ৫৯৮ টাকা। কোনও কৃষিজমি নেই। হাওড়ার শিবপুরে তিনটি জমি এবং কলকাতায় একটি ফ্ল্যাট এবং জমি রয়েছে। কোথাও কোনও ঋণ নেই তাঁর।
৫৯ বছরের হুমায়ুন বটানি (উদ্ভিদবিদ্যায়) পিএইচডি করেছেন কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বিজ্ঞানে স্নাতকোত্তরের পরীক্ষায় তিনি ফার্স্ট ক্লাস ফার্স্ট।