WB Assembly Elections 2026

নন্দীগ্রামকাণ্ড নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এ বার আরও দুই জেলায় যাচ্ছেন সিইও মনোজ, কী কী কর্মসূচি রয়েছে তাঁর?

গত শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজকুমার আগরওয়াল। সেখানে তিনি স্থানীয় এক বিজেপি নেতাকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছিলেন বলে অভিযোগ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৫৯
After Nandigram Chief Electoral Officer of West Bengal Manoj Agarwal to visit Birbhum and Murshidabad ahead of assembly election

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ অগ্রবাল। —ফাইল চিত্র।

পূর্ব মেদিনীপুরের পরে এ বার বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ সফরে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজকুমার অগ্রবাল। নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর, শুক্রবার বীরভূম যাচ্ছেন সিইও। শনিবার তাঁর মুর্শিদাবাদ যাওয়ার কথা। পূর্ব মেদিনীপুরের মতোই আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ভোটগ্রহণ হবে বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদে।

Advertisement

সিইও দফতর সূত্রের খবর, দুই জেলায় নির্বাচনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন মনোজ। প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের আগে জেলা সফরের শুরুতেই গত শনিবার পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক। সেই পর্বে তিনি বিভিন্ন এলাকায় ঘুরেছিলেন। কথা বলেছিলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে। মনোজের নন্দীগ্রাম সফরের পরেই একটি ছবি প্রকাশ করে তৃণমূল দাবি করেছিল, স্থানীয় এক বিজেপি নেতাকে সঙ্গে নিয়ে ঘুরেছেন তিনি।

রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ একটি ছবি সাংবাদিক বৈঠকে প্রকাশ করে জানান, মনোজের পাশে যে ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, তাঁর নাম তপনকুমার মহাপাত্র। শাসকদলের এ-ও দাবি, তপন নন্দীগ্রামের কালীচরণপুর অঞ্চলের বিজেপির আহ্বায়ক। শুধু তা-ই নয়, তিনি বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। মনোজের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্ব ও আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের গুরুতর অভিযোগ তুলে সরাসরি ভারতের নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থও হয়েছে তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন একটি বিস্তারিত অভিযোগপত্র পাঠিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের কাছে, যেখানে সিইও-র বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। তৃণমূলের দাবি, মনোজের আচরণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনী প্রক্রিয়ার পরিপন্থী এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইন (আরপিএ), ১৯৫১ অনুযায়ী এটি ‘দুর্নীতিমূলক আচরণ’-এর পর্যায়ে পড়তে পারে।

Advertisement
আরও পড়ুন