—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
ট্রাইবুনালের বিবেচনাধীন প্রক্রিয়ার জটিলতা কাটাতে তিন প্রাক্তন বিচারপতির কমিটি গড়ে দিলেন কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল। সোমবারই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল এই কমিটি গঠনের কথা। সেই মতো তিন সদস্যের কমিটি গড়া হল।
সোমবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিল, ১৯টি আপিল ট্রাইবুনালের একই রকম প্রক্রিয়া অনুসরণ করা প্রয়োজন। সেই প্রক্রিয়া নির্ধারণের জন্য কমিটি গঠনের নির্দেশ দেয় শীর্ষ আদালত। হাই কোর্ট জানিয়েছে, ওই কমিটিতে থাকবেন কলকাতা হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপ্ত রায় এবং অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রণবকুমার দেব। ট্রাইবুনালের ১৯ জন বিচারপতি কোন পদ্ধতি মেনে কাজ করবেন, সেটাই নির্ধারণ করবে কমিটি।
২৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন এসআইআরের তালিকা প্রকাশ করেছিল, সেখানে ৬০ লক্ষ ৬ হাজার ৬৭৫ জন ভোটারের নাম ছিল বিবেচনাধীন (আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন)। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সেই সব ভোটারের তথ্য নিষ্পত্তির কাজ করেন বিচারবিভাগীয় আধিকারিকেরা। সোমবার রাতেই সেই কাজ শেষ হয়েছে। মঙ্গলবার কমিশন যে তথ্য দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, বিবেচনাধীন তালিকায় থাকা ভোটারদের মধ্যে বাদ পড়েছেন ২৭ লক্ষ ১৬ হাজার ৩৯৩ জন। বিবেচনাধীন তালিকা থেকে ভোটার তালিকায় নাম ফিরেছে ৩২ লক্ষ ৬৮ হাজার ১১৯ জন।
বাদ পড়া ভোটারদের ট্রাইবুনালে আবেদন করার সুযোগ থাকছে। ১৯ জন বিচারপতি আপিল ট্রাইবুনালে ‘বিচার’ করবেন। তবে কোন পদ্ধতিতে বাদ পড়া ভোটারদের তথ্য নিষ্পত্তি করবে বিচারপতিরা, তা ঠিক করার জন্যই কমিটি গড়ল হাই কোর্ট। সোমবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট বলেছিল, ‘‘আদালত আশা করছে এই কমিটি মঙ্গলবারের মধ্যেই প্রক্রিয়াটি নির্ধারণ করবে। যাতে আপিলগুলির নিষ্পত্তি দ্রুত করা যায়।’’
২ এপ্রিল থেকে পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর ট্রাইবুনাল চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু নির্ধারিত দিন থেকে তা চালু হয়নি। পরে তা চালু হয়। ইতিমধ্যেই কয়েক জন আবেদন করেছেন ট্রাইবুনালে। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন বিশেষত কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের প্রার্থীর আবেদন নিষ্পত্তি করেছে ট্রাইবুনাল।