— প্রতীকী চিত্র।
প্রত্যেক গণনার টেবিলে কমপক্ষে এক জন কাউন্টিং সুপারভাইজার বা সহকারী হিসাবে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী নিয়োগের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন, তাতে হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাই কোর্ট। তৃণমূলের মামলা খারিজ করে দেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। হাই কোর্ট জানায়, কেন্দ্রীয় কর্মীদের গণনার কাজে নিয়োগের সিদ্ধান্ত বৈধ।
হাই কোর্টের পর্যবেক্ষণ, কমিশনের সিদ্ধান্তে বেআইনি কিছু নেই। মামলাকারীর অভিযোগ প্রমাণহীন। যদি ভবিষ্যতে গণনায় কারচুপি প্রমাণ হয়, তবে ইলেকশন পিটিশনের মাধ্যমে চ্যালেঞ্জ করা যাবে।
বৃহস্পতিবারই হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য, ভোট গণনাকেন্দ্রে সুপারভাইজ়ার হিসাবে শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের নিয়োগ করছে কমিশন। ওই সিদ্ধান্ত তারা মেনে নিতে পারে না। এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করুক আদালত। তিনি এই বিষয়ে মামলা দায়ের করার অনুমতি চান আদালতের কাছে।
প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে ২৩ এপ্রিল। আর দ্বিতীয় দফার ভোট হল বুধবার, ২৯ এপ্রিল। রাজ্য জুড়ে দু’দফার ভোট মোটামুটি শান্তিপূর্ণই হয়েছে। এ বার রাজ্যে ভোটগণনা কেন্দ্রের সংখ্যা আগের চেয়ে কমিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ২৯৪টি আসনের জন্য ৭৭টি কেন্দ্রে ভোট গণনা হবে। কোন জেলায় কোথায় কোথায় গণনা চলবে, তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। জেলা ধরে ধরে গণনাকেন্দ্রের ঠিকানাও জানিয়ে দিয়েছে কমিশন।
ইভিএম, স্ট্রংরুম এবং গণনাকেন্দ্রের নিরাপত্তায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর সংখ্যা বৃদ্ধি করছে নির্বাচন কমিশন। এর আগে নিরাপত্তায় ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল। কমিশন সূত্রে খবর, ওই সংখ্যা আরও বাড়ানো হচ্ছে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতিটি স্ট্রংরুম পাহারা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর ন্যূনতম ২৪ জন জওয়ান মোতায়েন করা হয়েছে।