Election Commission

‘সাধারণ বিষয়ই জানেন না, কী ভাবে দায়িত্ব পালন করবেন?’ কমিশন নিযুক্ত পর্যবেক্ষককেই এ বার সরিয়ে দিলেন জ্ঞানেশ

পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের জন্য ২৯৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল কমিশন। বুধবার তাঁদের সকলের সঙ্গে বৈঠক করেন জ্ঞানেশ কুমার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৪৬
Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar removes the general observer of Cooch Behar South assembly constituency

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। — ফাইল চিত্র।

এ বার নির্বাচন কমিশন নিযুক্ত পর্যবেক্ষককেই সরিয়ে দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কেন তাঁকে সরানো হল? কমিশন সূত্রে খবর, তাঁর দায়িত্বে ক’টি বুথ আছে, সে সম্পর্কেই ওয়াকিবহাল নন ওই পর্যবেক্ষক। এগুলি সাধারণ বিষয়। সেই সব বিষয়ে অবগত না-হওয়ায় তাঁর উপর রুষ্ট হন জ্ঞানেশ। সঙ্গে সঙ্গে ওই পর্যবেক্ষককে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

Advertisement

পশ্চিমবঙ্গের ২৯৪টি আসনের জন্য ২৯৪ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল কমিশন। বুধবার তাঁদের সকলের সঙ্গে বৈঠক করেন জ্ঞানেশ। সেই বৈঠকেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ভর্ৎসনার মুখে পড়েন কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক অনুরাগ যাদব। প্রশ্ন তোলেন অনুরাগের ভূমিকা এবং দায়িত্বজ্ঞান নিয়েও।

কমিশন সূত্রে খবর, পর্যবেক্ষক হিসাবে বেশ কিছু দিন পশ্চিমবঙ্গে আছেন অনুরাগ। কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন। কিন্তু ওই কেন্দ্রে কতগুলি বুথ আছে, তা সম্পর্কে সম্যক ধারণা নেই তাঁর। জ্ঞানেশের প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি অনুরাগ। এই অবস্থায় তিনি কী ভাবে নির্বাচনে দেখভাল করবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন জ্ঞানেশ। তার পরই অনুরাগকে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন।

পর্যবেক্ষক নিয়োগের সময় কমিশন জানিয়েছিল, যাঁদের যে কেন্দ্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাঁদের ১৮ মার্চের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রে পৌঁছে যেতে হবে। সেই নির্দেশমতো পর্যবেক্ষকেরা নির্দিষ্ট বিধানসভা কেন্দ্রে গিয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন। কমিশন জানিয়েছিল, নিজেদের এলাকায় পৌঁছেই যোগাযোগের ঠিকানা প্রকাশ্যে আনবেন তাঁরা, যাতে যে কেউ যে কোনও প্রয়োজনে পর্যবেক্ষকদের সাহায্য পেতে পারেন। সেই মতো পর্যবেক্ষকেরা কাজও শুরু করেছেন। কমিশনের নির্দেশ, প্রার্থী, রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের জন্য প্রতি দিন একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যবেক্ষকদের ফাঁকা রাখতে বলেছিল কমিশন। নির্বাচন প্রক্রিয়া অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং পক্ষপাতহীন ভাবে হচ্ছে কি না, তার উপরে নজর রাখছেন পর্যবেক্ষকেরা।

Advertisement
আরও পড়ুন