West Bengal Election 2026

অবৈধ কয়লা খনি বৈধ করার প্রস্তাব মুখ্যমন্ত্রীর

আসানসোল-রানিগঞ্জ খনি এলাকায় অবৈধ ভাবে কয়লা খনন দীর্ঘদিনের সমস্যা। মমতা বলেন, ‘‘এত কষ্ট করে আপনারা কয়লা তোলেন, কিন্তু মুনাফা অন্য কেউ নিয়ে যায়।’’

সুব্রত সীট
শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ০৭:০৮
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। — ফাইল চিত্র।

অবৈধ কয়লা খনিগুলিকে বৈধ করা যায় কি না, বছর তিনেক আগে নবান্নে এক বৈঠকে এ নিয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনার নির্দেশ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা কেন্দ্রে দলের জনসভায় এসে ফের সে প্রসঙ্গ তুলে তৃণমূল নেত্রীর দাবি, কেন্দ্রকে প্রস্তাব দেওয়া হলেও, সাড়া মেলেনি। তাঁর এমন মন্তব্যে বেধেছে বিতর্ক। বিজেপির দাবি, কয়লার অবৈধ কারবারকে বৈধ করার চেষ্টা করছে তৃণমূল।

আসানসোল-রানিগঞ্জ খনি এলাকায় অবৈধ ভাবে কয়লা খনন দীর্ঘদিনের সমস্যা। মমতা বলেন, ‘‘এত কষ্ট করে আপনারা কয়লা তোলেন, কিন্তু মুনাফা অন্য কেউ নিয়ে যায়।’’ এর পরেই তাঁর মন্তব্য, ‘‘বলেছিলাম, যে সব খাদান আপনারা বন্ধ করে দিয়েছেন, যে সব খাদান বেসরকারিকরণ করা হচ্ছে, সেগুলো রাজ্যের সঙ্গে মিলে একটা নীতি তৈরি করো। ‘আনঅফিশিয়াল’ যেগুলো আছে, সেগুলো ‘অফিশিয়াল’ করে ভাল ভাবে দেখভাল করা যেতে পারে। শ্রমিক ভাইবোনেদের যাতে সমস্যা না হয়, সে জন্য অনেক দিন প্রস্তাব দিয়েছি। কিন্তু এরা করে না।’’

পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারির দাবি, কয়লার অবৈধ কারবারে তৃণমূলের সব স্তরের নেতা জড়িত। তিনি বলেন, ‘‘এ রাজ্যে কেন্দ্রীয় সরকার কাজ করতে গেলে, রাজ্য বাধা দেয়। রাজ্যে আমাদের সরকার এলে, কেন্দ্র ও রাজ্য মিলে নিশ্চয় নীতি তৈরি করে অবৈধ খাদানের সমস্যা মেটানো হবে।’’

পাণ্ডবেশ্বরের তৃণমূল প্রার্থী নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীর যদিও দাবি, ‘‘খনি এলাকার বহু মানুষ পেটের দায়ে ঝুঁকি নিয়ে খাদানে কাজ করেন। ইসিএলের জন্য তাঁদের ঘরবাড়িতে ফাটল ধরে, ধস নামে। কেন্দ্রের সিআইএসএফ কয়লা চুরি রুখতে পারে না। মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে অনেকের কর্মসংস্থান হবে, কয়লা চুরি বন্ধ হবে।”

আরও পড়ুন