গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কোনও সরকারি কর্মী রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারবেন না। কোনও সরকারি কর্মীকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে জড়িত থাকতে দেখা গেলে, তাঁর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে পদক্ষেপ করা হবে। এমনকি এফআইআর-ও রুজু করা হবে। রাজ্যের সকল জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিককে তা জানিয়ে দিল নবান্ন।
পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা ভোট স্বচ্ছ এবং নিরপেক্ষ ভাবে পরিচালনা করার জন্য মোট আট দফা লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। তার মধ্যে অন্যতম সরকারি কর্মীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখা। কমিশনের সেই বার্তাই এ বার রাজ্যের সকল জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে পৌঁছে দিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা।
কমিশন যে আট দফা লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে নির্ভয়ে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করা, হিংসামুক্ত নির্বাচন, ছাপ্পা ভোট বন্ধ করা-সহ বেশ কিছু উদ্যোগ। এর মধ্যে সরকারি কর্মীদের আচরণ সংক্রান্ত বিষয়টিও রয়েছে। রাজ্যের সকল জেলাশাসক এবং জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের উদ্দেশে চিঠিতে মুখ্যসচিব লিখেছেন, এই আট দফা বিষয় নিয়ে পুলিশ সুপার এবং পুলিশ কমিশনারদের সঙ্গে বৈঠক করতে হবে। বৈঠকে রাখতে হবে মহাকুমাশাসক এবং থানার ওসি, আইসি-দেরও।
নির্বাচন কমিশনের ওই আট দফা নির্দেশের কথা বৈঠকে স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিতে বলা হয়েছে। গত ৩০ মার্চ এই মর্মে চিঠিটি পাঠিয়েছেন মুখ্যসচিব। ১ এপ্রিল (বুধবারের) মধ্যে পুলিশ সুপার, পুলিশ কমিশনার এবং মহকুমাশাসকদের নিয়ে বৈঠকটি সেরে ফেলতে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে এ-ও জানিয়েছেন, এই বৈঠকের পর মহকুমাশাসক,মহকুমা পুলিশ আধিকারিকেরা একই বার্তা নিজ নিজ স্তর থেকে সকল সরকারি কর্মীর কাছে পৌঁছে দেবেন।