(বাঁ দিকে) রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ আগরওয়াল এবং দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (ডান দিকে)। —ফাইল চিত্র।
পশ্চিমবঙ্গ-সহ ভোটমুখী চার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির জন্য পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন। কেবল পশ্চিমবঙ্গেই প্রত্যেক বিধানসভার জন্য এক জন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছে কমিশন। পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও অনেক বাড়ানো হয়েছে। সাধারণত পুলিশ জেলা বা কমিশনারেট পিছু এক জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়ে থাকে। এ বার তা বাড়িয়ে দ্বিগুণেরও বেশি করা হয়েছে।
নির্বাচনী আয়-ব্যয় খতিয়ে দেখার কাজে নিযুক্ত পর্যবেক্ষকদের সংখ্যাও বৃদ্ধি করেছে কমিশন। সোমবার কমিশনের তরফে যে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গে ২৯৪ জন (প্রতিটি বিধানসভার জন্য এক জন) সাধারণ পর্যবেক্ষক মোতায়েন করছে কমিশন। পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসাবে পাঠানো হচ্ছে ৮৪ জনকে। আয়-ব্যয়ের পর্যবেক্ষক হিসাবে রাজ্যে রাজ্যে থাকছেন ১০০ জন।
কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, বুধবার (১৮ মার্চ)-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিধানসভায় পৌঁছে যাবেন দায়িত্বপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকেরা। নিজেদের এলাকায় পৌঁছেই যোগাযোগের ঠিকানা প্রকাশ্যে আনবেন তাঁরা, যাতে যে কেউ যে কোনও প্রয়োজনে পর্যবেক্ষকদের সাহায্য পেতে পারেন। কমিশনের নির্দেশ, প্রার্থী, রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের জন্য প্রতি দিন একটি নির্দিষ্ট সময় ফাঁকা রাখতে হবে পর্যবেক্ষকদের। নির্বাচন অবাধ, শান্তিপূর্ণ এবং পক্ষপাতহীন ভাবে হচ্ছে কি না, তার উপরে নজর রাখবেন এই পর্যবেক্ষকেরা।
সমস্ত ধরনের পর্যবেক্ষক মিলিয়ে চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মোট ১,১১১ জন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করছে কমিশন। অসমের ১২৬টি বিধানসভার জন্য ৫১ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হচ্ছে। সে রাজ্যে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ৩৫। কেরলের ১৪০টি বিধানসভা কেন্দ্রের জন্য ৫১ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। দক্ষিণের এই রাজ্যে থাকছেন ১৭ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক। ২৩৪টি বিধানসভা আসনবিশিষ্ট তামিলনাড়ুতে থাকছেন ১৩৬ জন সাধারণ পর্যবেক্ষক। থাকছেন ৪০ জন পুলিশ পর্যবেক্ষকও। আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরির ৩০টি বিধানসভার জন্য আট জন পর্যবেক্ষক মোতায়েন করছে কমিশন। সেখানে থাকছেন আট জন পুলিশ পর্যবেক্ষকও।