কারা প্রবেশ করতে পারবেন বুথে, সেই নিয়ে নির্দেশিকা দিল কমিশন। — ফাইল চিত্র।
ভোটারদের ভোট দিতে বুথে প্রবেশ নিয়ে নতুন নিয়ম নির্বাচন কমিশনের। প্রতি বুথে থাকবে ‘ভোটার সহায়তা বুথ’। সেখানে দু’জন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান থাকবেন। সহায়তা বুথে ভোট শুরুর আগে থেকে উপস্থিত থাকবেন বিএলও এবং তাঁর এক সহকারী। তাঁরাই স্থির করবেন, কোন ভোটার ভোটের লাইনে দাঁড়াতে পারবেন।
কমিশন জানিয়েছে, বিএলওর কাছে ভোটার তালিকার কপি থাকবে। ভোটারকে তাঁর নাম ও সিরিয়াল নম্বর খুঁজে পেতে সাহায্য করতে হবে বিএলও-কেই। ভোটারের পরিচয়পত্র পরীক্ষা করে নিশ্চিত করতে হবে যে, তিনি ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের যোগ্য কি না এবং তা ভোটার তালিকার তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে দেখতে হবে। ভোটার তালিকায় থাকা ছবির সঙ্গে মিলিয়ে ভোটারকে শনাক্ত করতে হবে। বিএলও সন্তুষ্ট হলে তাঁকে লাইনে দাঁড়াতে দেবেন।
বিএলও-কে নিশ্চিত করতে হবে, ভোটারের বাঁ হাতের তর্জনীতে কোনও কালির চিহ্ন নেই। মহিলা কর্মীরা মুখ ঢেকে থাকা মহিলা ভোটারদের পরিচয় যাচাই করতে পারবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ভোটকর্মী, ইভিএম, ওয়েব ক্যামেরা, ভোটের সামগ্রী এবং সহায়তা বুথের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কোনও অশান্তি হলে সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ করতে হবে।
২৩ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফার বিধানসভা ভোট। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রথম দফার ভোটে মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে চলেছে তারা। কমিশনের ঘোষণা অনুযায়ী, প্রথম দফায় সমগ্র উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির ভোটগ্রহণ হয়ে যাবে— দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ। পাশাপাশি, জঙ্গলমহলেও প্রথম দফায় নির্বাচন রয়েছে। ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়ার পাশাপাশি বীরভূম, মুর্শিদাবাদে এই দফাতেই ভোট হবে। অন্য দিকে, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পশ্চিম বর্ধমানেও এই দফায় ভোটগ্রহণ।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, প্রথম দফায় ১৫২টি আসনে ভোটে লড়ছেন ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। কোচবিহার দক্ষিণ এবং ইটাহার— প্রথম দফার এই দু’টি আসনে ভোটে লড়ছেন সবচেয়ে বেশি প্রার্থী। দু’টি আসনের প্রতিটিতে প্রার্থী সংখ্যা ১৫।