West Bengal Assembly Election

রাজনীতিতে বাহিনীর কারও নাম জড়ালে কড়া পদক্ষেপ, নির্দেশ নগরপালের

কলকাতা পুলিশের কল্যাণ পর্ষদ শাসকদলের দ্বারা পরিচালিত হয় বলে অতীতে একাধিক বার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। এমনকি, কল্যাণ পর্ষদের বিরুদ্ধে রাজনীতি করার অভিযোগও উঠেছে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ০৭:৩২

—প্রতীকী চিত্র।

কলকাতা পুলিশ বাহিনীর কোনও সদস্য, হোমগার্ড কিংবা সিভিক ভলান্টিয়ার— কেউই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে কোনও রকম রাজনৈতিক কর্মসূচিতে জড়িত থাকতে পারবেন না। এর অন্যথা হলে সংশ্লিষ্ট কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা তো নেওয়া হবেই, পাশাপাশি, এফআইআর-ও দায়ের করা হবে। সূত্রের খবর, সোমবার এই মর্মে নির্দেশ জারি করেছেন কলকাতার নগরপাল। সেই সঙ্গে অবাধ ও সুষ্ঠু ভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে কলকাতার অতিরিক্ত নগরপাল, যুগ্ম নগরপাল এবং উপ-নগরপালদের তাঁদের তত্ত্বাবধানে থাকা থানাগুলির ওসিদের নিয়ে যৌথ সভার আয়োজন করার জন্যও বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, কলকাতা পুলিশের কল্যাণ পর্ষদ শাসকদলের দ্বারা পরিচালিত হয় বলে অতীতে
একাধিক বার অভিযোগ তুলেছে বিরোধীরা। এমনকি, কল্যাণ পর্ষদের বিরুদ্ধে রাজনীতি করার অভিযোগও উঠেছে। পুলিশ মহল যদিও দাবি করেছে, বাহিনীর কেউ সরাসরি রাজনীতি করতে পারেন না। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে নগরপালের সাম্প্রতিক নির্দেশ কত দূর কার্যকর হবে, তা নিয়ে সন্দিহান বিরোধীদের একাংশ।

ইতিমধ্যেই নিরপেক্ষতা এবং স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে, এই অভিযোগে নির্বাচন কমিশন
কলকাতা পুলিশের ২৯টি থানার ওসিদের বদলি করেছে। এক পুলিশকর্তার কথায়, ‘‘নগরপাল চান না, বাহিনীর কারও বিরুদ্ধে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ উঠুক। তা আটকানোর জন্যই এই নির্দেশ।’’

পুলিশ সূত্রের খবর, প্রতিটি থানার ওসিকে নগরপাল নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁরা যেন নিয়মিত ভিত্তিতে তাঁদের অধস্তন অফিসার ও কর্মীদের এই বিষয়গুলি সম্পর্কে অবহিত করেন। একই সঙ্গে, থানার ওসি থেকে শুরু করে বাহিনীর নিচুতলার সদস্যদের নিয়ে মঙ্গলবার এবং আজ, বুধবারের মধ্যে বৈঠক করার জন্য অতিরিক্ত নগরপাল, যুগ্ম নগরপাল এবং উপ-নগরপালদের বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন