—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
পুনর্নির্বাচনে সন্ধ্যা পর্যন্ত ৮৭.৭৩ শতাংশ ভোট পড়েছে ফলতায়।
বিকেল ৫টা পর্যন্ত ৮৬.১১ শতাংশ ভোট পড়েছে ফলতায়। পুনর্নির্বাচনেও দলে দলে বুথমুখী হয়েছেন মানুষ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী লড়াইয়ে নেই। ‘পুষ্পা’ জাহাঙ্গির খান ভোটের লড়াই থেকে সরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিজেপির সামনে কার্যত ফাঁকা মাঠ।
দুপুর ৩টে পর্যন্ত ফলতায় ৭৪.১০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
দুপুর ১টা পর্যন্ত ফলতায় ৬০.৪৩ শতাংশ ভোট পড়ল।
ফলতার ১৫৬ নম্বর বুথে ভোট দিলেন ওই কেন্দ্রের কংগ্রেস প্রার্থী আব্দুর রেজ্জাক মোল্লা।
ফলতার পুনর্নির্বাচনে বেলা ১১টা পর্যন্ত ৪২.৮৩ শতাংশ ভোট পড়ল।
ফলতার পুনর্নির্বাচনে সকাল ৯টা পর্যন্ত ২০.৪৭ শতাংশ ভোট পড়ল। নির্বাচন কমিশন সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।
ফলতায় পুনর্নির্বাচনের দিন খোঁজ পাওয়া গেল না ‘পুষ্পা’ ওরফে জাহাঙ্গিরের। তাঁর বাড়ি এবং দলীয় দফতরের দরজা তালাবন্ধ ছিল। ডাকাডাকির পরেও কেউ ভিতর থেকে দরজা খোলেননি।
ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের স্থানীয়দের একাংশের বক্তব্য, বিগত বেশ কয়েকটি নির্বাচনে তাঁরা ভোট দিতে পারেননি। এ ক্ষেত্রে ফলতার তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান এবং তাঁর দলবলের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলছেন তাঁরা। বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, ভোট দিতে দিত না জাহাঙ্গিরের বাহিনী। হাতে কালি লাগিয়েও ভোটকেন্দ্র থেকে ফিরে আসতে হত বলে দাবি করেছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, ফলতায় এ বার জাহাঙ্গিরকে প্রার্থী করেছিল তৃণমূল। কিন্তু পুনর্নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগেই নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা ঘোষণা করেন তিনি। অবশ্য জাহাঙ্গির যখন এই ঘোষণা করেন, তখন মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময় পেরিয়ে গিয়েছে। সুতরাং, নির্বাচনে না-থাকলেও ইভিএম-এ জাহাঙ্গিরের নাম এবং তৃণমূলের প্রতীক থাকবে।
সকাল ৭টা থেকে ফলতার ২৮৫ ভোটকেন্দ্রে শুরু হল ভোটগ্রহণ। চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা বিধানসভার পুনর্নির্বাচনের ৪৮ ঘণ্টা আগে ভোটের ময়দান ছাড়েন একা হয়ে যাওয়া তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার ভোটপ্রচারের শেষ দিনে জাহাঙ্গির ঘোষণা করেন, ‘‘আমি এই ভোটে লড়ছি না।’’
যদিও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কিংবা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের কোনও নির্দেশ রয়েছে কি না, তা পরিষ্কার করেননি ‘পুষ্পা’। তৃণমূলের তরফে এক্সে পোস্ট করে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত জাহাঙ্গিরের ব্যক্তিগত, দলের নয়।
ফলতার বিজেপি প্রার্থী দেবাংশু পণ্ডার সমর্থনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু যখন ‘রোড শো’ করছেন ফলতায়, তখন প্রচারে না বেরিয়ে বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করেন অভিষেকের পছন্দের জাহাঙ্গির। তিনি বলেন, ‘‘আমি ফলতার ভূমিপুত্র। আমি চাইব ফলতা শান্তিতে থাকুক, সুস্থ থাকুক এবং ভাল থাকুক। ফলতায় আরও বেশি বেশি উন্নয়ন হোক।’’ গলা ধরে আসে সাদা শার্ট-কালো ট্রাউজ়ার্স পরিহিত ‘পুষ্পা’র। তিনি বলেন, ‘‘আমার স্বপ্ন ছিল সোনার ফলতার। তাই আমাদের সম্মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ফলতার উন্নয়নের জন্য স্পেশ্যাল প্যাকেজ দিচ্ছেন। সেই জন্য আমি ২১ মে যে পুনর্নির্বাচন আছে, সেই লড়াই থেকে আমি নিজেকে দূরে সরিয়ে নিলাম।’’
গত ২৯ এপ্রিল ছিল রাজ্যের শেষ দফা বিধানসভা ভোট। ফলতা বিধানসভা কেন্দ্রের বেশ কিছু বুথে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। ইভিএমে আতর, কালি, টেপ লাগানোর মতো অভিযোগ পায় কমিশন। পুনর্নির্বাচনের দাবি তোলেন স্বয়ং শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, ফলতার খবর পেয়ে তাঁর মনে হয়েছে কমিশনের উচিত ওই কেন্দ্রে আবার ভোট করানো। ঘটনাক্রমে কমিশন পুনর্নির্বাচনেরই সিদ্ধান্ত নেয়। তার পর ৪ মে বাকি ২৯৩ আসনের ফলঘোষণা হয়ে যায়। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে প্রথম বার ক্ষমতা দখল করে বিজেপি।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতার গোটা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোট বাতিল করে নতুন করে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। আজ ২৮৫ ভোটকেন্দ্রে আবার ভোটগ্রহণ হবে। আর ভোটগণনা হবে আগামী ২৪ মে (রবিবার)।