পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। —নিজস্ব চিত্র।
‘‘ওরা থাকলে ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ ইলেকশন হতে পারে না। আমরা চাই ‘ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার’ ইলেকশন। বিজেপির মাথা খারাপ হয়ে গিয়েছে। ‘এসআইআর ইজ় এ বিগ স্ক্যাম’। আমাদের বাংলা টার্গেট করেছে দিল্লি। আমাদের টার্গেট দিল্লি। আমরা বললে করি। ওরা করে না। বুলডোজ়ার চালায়।’’
‘‘ইউনিফর্ম সিভিল কোড মানে কী? একটাই বিজেপি, একটাই নীতি। একটাই বিজেপি, একটাই বিধর্ম। একটাই বিজেপি, সর্বধর্মের সর্বনাশ। আমরা পুরোপুরি এটার বিরোধিতা করব। এখন সবাই যখন নির্বাচনে ব্যস্ত আছে, এখন বিলগুলি আনতে হচ্ছে? আজকে তুমি বিল পাশ করবে, কালকে তুমি ক্ষমতায় থাকবে না। আমরা বাতিল করে দেব। তুমি যা যা স্বেচ্ছাচারী বিল করেছ, সব বাতিল করে দেব আমরা।’’
‘‘আমাদের লড়াই করতে হচ্ছে বিজেপি সঙ্গে নয়, বিজেপির ভ্যানিশ মেশিনের সঙ্গে। আমার কেন্দ্রে আমার নমিনেশন কাটার জন্য ওই গদ্দাররা আমার নামে দুটো মিথ্যা এফিডেভিট করে নমিনেশন ক্যানসেল করার চেষ্টা করেছিল।’’
‘‘বিহারে যাঁদের ভোট কেটেছে, তাঁদের বলা হচ্ছে, রেশন বন্ধ, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ। আমি বলি, আমি থাকতে এ সব করতে দেব না। ভোট চলাকালীন পার্লামেন্টে ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে আসছে। ওয়েট করতে পারল না। কারণ, টুকরো টুকরো করবে বাংলাকে।’’
‘‘ক’বার আদিবাসীদের উৎসবে এসেছে? আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবসে প্রতি বার আমি এসেছি। মনে রাখবেন, জঙ্গলের অধিকার আদিবাসীদের ফিরিয়ে দিয়েছি। আমরা আইন করে বলেছি জোর করে আদিবাসীদের জমি দখল করা যাবে না। সাধারণ মানুষের জমিও কেউ জোর করে দখল করতে পারেন না।’’
‘‘এক সময়ে রক্তাক্ত হয়ে গিয়েছিল। কী ছিল জঙ্গলমহলের চেহারা। মানুষ বেরোতে পারত না। খেতে পেত না। রাস্তা ছিল না। স্কুল ছিল না। আজ কিন্তু আমূল পরিবর্তন হয়েছে। সেন্ট্রাল গভর্নমেন্টের দয়ায় নয়।’’
পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশিয়াড়িতে নির্বাচনী জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দিনের প্রথম প্রচার শুরু করলেন এই কেন্দ্র থেকে। তার পর রয়েছে ঝাড়গ্রাম এবং শেষে বাঁকুড়ার বড়জোড়ায়।