মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল চিত্র।
দেখছেন তো একটা পার্টিকে ভাগ করার জন্য ১০০০ কোটি টাকার ডিল করেছে। বলছে, ভিডিয়োটি না কি আর্টিফিশিয়াল। যে করেছে সে বলছে ভিডিয়োটি সত্যি। বলছি, কত শাক দিয়ে মাছ ঢাকবেন? অনেক টাকা না? যখন গ্যাসের টাকা বাড়ে, তখন তো কমান না! পেট্রলের দাম বাড়ে, কমান না। ইলেকশন হয়ে গেলে আবার হুহু করে দাম বেড়ে যাবে। গ্যাস পাবেন না, পেট্রল পাবেন না, হোটেল বন্ধ হয়ে যাবে। ভাবুন, চিন্তা করুন।
কাটোয়ায় গিয়ে বলে এসেছে, সীতাভোগ, মিহিদানা সব বিদেশে রফতানি হবে। ওরা জানে না শক্তিগড়ের ল্যাংচাও আছে। আমরা মিষ্টিহাব তৈরি করে দিয়েছি। আর বিশ্ববাংলার সব দোকানে আমরা সীতাভোগ, মিহিদানা বিক্রি করি। বাংলার হাটেও বিক্রি করি এবং বিদেশেও রফতানি করি।
ঘটনাচক্রে, শনিবার কাটোয়ায় ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সভা।
এত মিথ্যাবাদী ওরা! বলছে ওদের সরকার এলে সপ্তম পে কমিশন করে দেবে। আরে একটু তো খবর নাও। চেয়ারটার তো অমর্যাদা কোরো না। আমাদের বাজেটে ফেব্রুয়ারি মাসে সপ্তম পে কমিশন ঘোষণা করে দিয়েছি। বেঙ্গল একমাত্র স্টেট, যেখানে পেনশন দেওয়া হয়। অন্য কোনও রাজ্যে নেই।
বলছে, এখানে না কি চাকরি হয় না? তোমাদের ডিফেন্সে কটা লোক নিয়েছ? তোমার রেলে গ্যাংম্যান নেই। একটাও শূন্যপদ ভর্তি করোনি। বলেছিলে বছরে ২ কোটি লোকের চাকরি দেবে, একটাও দাও নি। আর বাংলায় ২ কোটি লোকের চাকরি আমরা দিয়েছি। আর ৪০ শতাংশ বেকারি কমেছে। এটাই সত্য। চ্যালেঞ্জ করে যাচ্ছি।
কৃষি উৎপাদন বাংলায় কত বেড়েছে খবর রাখ? আলুচাষিদের জন্য ক্রপ ইনসিওরেন্স করেছি। আলু নষ্ট হলে তিনি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়। কৃষকবন্ধু ১০ হাজার টাকা পান। যার এক একর জমি আছে। এ বার থেকে ক্ষেতমজুরদেরও বছরে চার হাজার টাকা দেওয়া হবে।
পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষে দিনের প্রথম নির্বাচনী সভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার চারটি জনসভা করবেন তিনি। খণ্ডঘোষের পর তিনি যাবেন বাঁকুড়ার ওন্দা এবং ছাতনায়। ঘটনাচক্রে, শনিবার ওই দুই বিধানসভা কেন্দ্রে শনিবার জনসভা করে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুই সভা থেকেই তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। রবিবার সেই দুই কেন্দ্রেই সভা করবেন মমতা। তার পর যাবেন আসানসোলে।