রায়গঞ্জের জনসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: সংগৃহীত।
ওরা ভাবে কি আমরা খবর রাখি না। কোথায় কোথায় টাকা ব্রিফকেসে করে কোন কেন্দ্রীয় এজেন্সি নিয়ে যাচ্ছে, কার ঘরে ঢুকছে, সব রেখে দিয়েছি যত্ন করে। সময় এলেই দিয়ে দেব। এত তাড়াতাড়ি দিতে নেই, পয়লা বৈশাখ যাক। কিছু তো সঞ্চয় করে রাখতে হয়।
যারা চায় বাংলার সর্বনাশ, তাদের আমরা করব বিনাশ। আপনার গণতন্ত্র কেড়ে নিচ্ছে, ভোটাধিকার কেড়ে নিচ্ছে। ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠাবে। মাছ, ডিম খেতে দেবে না। ওদের ধর্মের নাম অধর্ম। আর আমাদের ধর্মের নাম মানবধর্ম।
প্রার্থীদের বলে রাখি, বিজেপি ভ্যানিশ ওয়াশিং মেশিন। তারা নির্দেশ দিয়েছে ডিএমদের, তৃণমূলের প্রার্থীদের বাতিল করো। যাঁরা মনোনয়ন করবেন তাঁরা ভাল করে দেখে নেবেন। বিজেপি যেটা গেমপ্ল্যান করবে, সেটা ভেস্তে দিতে হবে।
যদি তৃণমূলের নাম করেও, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নাম করে ছদ্মবেশে কেউ গিয়ে বলে আপনার ব্যাঙ্কের অ্যাকাউন্ট নম্বর দিন, আমরা টাকা জমা করব, ভুলেও কাউকে দেবেন না। এটা বিজেপি করছে। কী করবে জানেন তো? আপনার অ্যাকাউন্টে ২ হাজার টাকা দিয়ে ১০ হাজার টাকা তুলে নেবে।
বাইরের লোক দিয়ে টাকা, গুন্ডা আমদানি করছ। বাংলার বদনাম করছ। তোমরা বদলা নিতে গিয়ে, পিছন থেকে খেলা করছ। লজ্জা করে না বিজেপি, আমি হলে তো গলায় দড়ি দিয়ে মরতাম।
সব কিছু করব আমরা, আর বিজেপি ভোট কেটে গুটিয়ে দেবে গণতন্ত্রের চামড়া। বিজেপি হচ্ছে বাবলা কাঁটা, মানুষের নাম ছাঁটা।
বিজেপির সরকার, অত্যাচারী সরকার, লোককে অনাহারে মারার সরকার, স্বৈরাচারী সরকার। বাংলাকে করেছে বঞ্চনা, লাঞ্ছনা। এক কোটি ২০ লক্ষ কাঁচা বাড়ি পাকা করেছি। আগামী দিন আরও করব।
আমরা বলি না। আমরা করে দেখাই। লক্ষ্মীর ভান্ডার শুরু হয়েছিল ৫০০ টাকা দিয়ে। এখন ১৫০০ এবং ১৭০০ টাকা। যুবসাথী নতুন করে করেছি।
দক্ষিণ দিনাজপুরের হরিরামপুরের জনসভা সেরে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে পৌঁছোলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হরিরামপুরের জনসভা থেকে বিজেপি এবং কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন তিনি।