(বাঁ দিক থেকে) পীযূষ পাণ্ডে, সুপ্রতিম সরকার, মনোজ বর্মা এবং বিনীত গোয়েল। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
রাজ্য এবং কলকাতা পুলিশের উচ্চ স্তরে রদবদল করেছিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যের ডিজি, কলকাতা পুলিশ কমিশনার, ডিজি (আইনশৃঙ্খলা) এবং ডিজি (কারা) পদে থাকা আধিকারিকদের সরিয়ে দেয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে অপসারিত পুলিশ আধিকারিকদের নতুন পদে দায়িত্ব দিল নবান্ন।
পীযূষ পাণ্ডেকে ডিজি (নিরাপত্তা অধিকর্তা) করা হয়েছে। এত দিন তিনি ছিলেন রাজ্য পুলিশের ডিজি। কমিশনের নির্দেশে তাঁকে সরিয়ে নতুন ভারপ্রাপ্ত ডিজি করা হয়েছে সিদ্ধনাথ গুপ্তকে। এ ছাড়াও, কলকাতার পুলিশ কমিশনার (সিপি) সুপ্রতিম সরকারকেও পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁর জায়গায় আনা হয়েছে অজয়কুমার নন্দকে। অপসারিত সুপ্রতিমকে রাজ্যের এডিজি (সিআইডি)। তাঁকে কলকাতার এডিজি (আইবি) হিসাবে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়াও, রাজ্য পুলিশের ডিজি (আইনশৃঙ্খলা) এবং ডিজি (কারা) পদেও পরিবর্তন করে কমিশন। ডিজি (আইনশৃঙ্খলা) পদে ছিলেন বিনীত গোয়েল। তাঁকে সরিয়ে নতুন এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) করা হয়েছে অজয় মুকুন্দ রানাডেকে। সেই বিনীতকে রাজ্য আইবি-র ডিজি করল কমিশন। ডিজি (কারা) করা হয়েছে নটরাজন রমেশ বাবুকে। পীযূষকে যে দায়িত্বে আনা হয়েছে এত দিন সেই পদে ছিলেন মনোজ বর্মা। তাঁকে এডিজি (অতিরিক্ত নিরাপত্তা অধিকর্তা) করা হয়েছে। পাশাপাশি, রাজ্যের এডিজি (সিআইডি) পদে থাকা লক্ষ্মীনারায়ণ মীনাকে এডিজি (কারা) হয়েছে। সকালেই কমিশন জানিয়ে দিয়েছিল, যে আধিকারিকদের পদ থেকে সরানো হয়েছে, নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন না-হওয়া পর্যন্ত তাঁদের ভোট সংক্রান্ত কোনও পদে নিয়োগ করা যাবে না। সেই মতো দুপুরে সুপ্রতিমদের নতুন পদে দায়িত্ব দিল কমিশন।
রবিবার বিকেলে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের চার রাজ্য এবং এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করে কমিশন। বাকি চার রাজ্যে এক দফায় ভোট হলেও পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন হবে দু’দফায়। ২৩ এবং ২৯ এপ্রিল। ভোটঘোষণার পরই রাজ্যে চালু হয়ে গিয়েছে নির্বাচনী আচরণ বিধি। এই সময়ে কমিশনের হাতে বিশেষ ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।