ভাঙড়ে মহিলা এবং পুরুষদের উপর হামলার অভিযোগ। —নিজস্ব চিত্র।
ভোটের ফলঘোষণা হতেই উত্তপ্ত দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড়। এ বার ভাঙড়ে শাসক-ঘনিষ্ঠদের হাতে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তুলল বিরোধী তৃণমূল। বাড়ি ভাঙচুর, মারধরের অভিযোগ উঠেছে নানা জায়গায়। এক প্রৌঢ়ের অবস্থা গুরুতর। তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর।
তৃণমূলের অভিযোগ, ভাঙড়ে বিজয়ী আইএসএফ-এর নেতা-কর্মীরা রাতভর তাণ্ডব করেছেন বিভিন্ন এলাকায়। ভোট-পরবর্তী হিংসায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে নিমকুড়িয়া গ্রামে। বেঁওতায় তৃণমূল নেতার বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে বিজেপির বিরুদ্ধে। তৃণমূল করার ‘অপরাধে’ বাড়িতে ঢুকে মহিলা-সহ একটি পরিবারের সমস্ত সদস্যকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।
মঙ্গলবার সকালে তৃণমূলের পতাকা না খোলার অভিযোগে নিমকুড়িয়া গ্রামে এক তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে ঢুকে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
ফিরোজ মোল্লা নামে এক তৃণমূল সমর্থকের অভিযোগ, ‘‘আইএসএফ জিতেছে। আমরা তৃণমূল করি বলে ওদের দলের বুথ সভাপতির নেতৃত্বে পঞ্চাশ জন লোক আমাদের উপর হামলা করেছে। দাদার মাথায় বন্দুকের বাট দিয়ে আঘাত করেছে। আমার গায়ে ভোজালি দিয়ে আঘাত করেছে। বাবার অবস্থা খারাপ। বাবাকে কলকাতার এক হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়েছে।’’
তৃণমূল কর্মী হাকিম আলি মোল্লা এবং তাঁর স্ত্রী আয়েশা বিবিকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আয়েশার পুত্র ফরিদ আলি মোল্লা এবং বৌমা রোজিনা বিবিকেও মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ।
অন্য দিকে, ভাঙড়ের বেঁওতা-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের বাড়ির সিসি ক্যামেরা ভেঙে বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সেখানে অভিযোগ উঠেছে বিজেপি-র দিকে। তবে কোনও অভিযোগের প্রেক্ষিতেই প্রতিক্রিয়া দেয়নি বিজেপি এবং আইএসএফ।