—প্রতীকী চিত্র।
পাসপোর্ট রয়েছে। তা-ও প্রথমে ভোটার তালিকার ‘বিবেচনাধীন’ গোত্রে, পরে ‘ডিলিটেড’ হয়ে গিয়েছে ফরাক্কার কংগ্রেস প্রার্থী মহতাব শেখের নাম। কিন্তু ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে তিনি মনোনয়নই জমা দিতে পারবেন না। পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত আপিল ট্রাইবুনালকে মহতাবের আর্জির দ্রুত ফয়সালা করতে বলল সুপ্রিম কোর্ট। নাম বাতিলের পরে মহতাব আপিল ট্রাইবুনালে গিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল পাঞ্চোলির বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে, আগামী দু’টি কাজের দিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনের সাহায্য নিয়ে এই আবেদনের ফয়সালা করতে হবে। ফরাক্কা-সহ প্রথম দফার ১৫২টি আসনের মনোনয়ন জমার শেষ দিন ৬ এপ্রিল। তাই প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ৬ এপ্রিল দুপুরের মধ্যে এ বিষয়ে ফয়সালা করার জন্য ট্রাইবুনালকে অনুরোধ করেছেন। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডি এস নায়ডুকে বলেছেন, ‘‘আপনারা দেখুন, ৬ এপ্রিল বিকেলে সুপ্রিম কোর্টে এসআইআর মামলার শুনানির আগে যেন ওঁর জমা করা নথি খতিয়ে দেখে আবেদনের নিষ্পত্তি হয়। ওঁর পাসপোর্ট রয়েছে। সেটাও দেখবেন।’’
বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতার জোকায় আপিল ট্রাইবুনাল কাজ শুরু করবে বলে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল। মহতাবের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে জানান, এক জন আইনজীবী সকাল থেকে সেখানে অপেক্ষা করছেন। মূল ফটকই বন্ধ। প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘‘গতকাল প্রশিক্ষণ চলছিল। ট্রাইবুনাল আজ চলছে।’’ নায়ডু বলেন, ‘‘সাহায্য করব। খাঁটি দাবি হলে দ্রুত নিষ্পত্তি হয়ে যাবে।’’ তিনি অনুরোধ করেন, আপিল ট্রাইবুনালের একটি বেঞ্চকে যেন জরুরি আবেদন শোনার জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়। মহতাবের পাসপোর্ট রয়েছে বলে বিচারপতি বাগচী মনে করিয়ে দেওয়ার পরে নায়ডু বলেন, ‘‘উনি নিজেই মেনে নিয়েছেন, নামের ফারাক রয়েছে।’’ বিচারপতি বাগচী জানতে চান, মহতাব ‘ম্যাপড’ ভোটার কি না। মহতাব ‘ম্যাপড’ ভোটার জানতে পেরে তিনি বলেন, ‘‘তা হলে শুধু নামের বানানের মতো ছোটখাটো গরমিল রয়েছে।’’