WB Elections 2026

নির্বাচনী কাজে বাস অধিগ্রহণে অগ্রিম না মেলায় ক্ষোভ, দ্রুত অর্থ প্রদানের দাবিতে সরব বেসরকারি বাসমালিকেরা

দ্বিতীয় দফার নির্বাচন ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ২৬ এপ্রিল থেকেই সংশ্লিষ্ট বাসগুলিকে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। এর মধ্যেই অভিযোগ উঠেছে, হুগলি ও হাওড়া জেলায় কিছু বাসমালিক অগ্রিম অর্থ পেলেও কলকাতা, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার মালিকেরা এখনও বঞ্চিত। এই বৈষম্যমূলক আচরণে ক্ষোভ বাড়ছে বাসমালিকদের মধ্যে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৪:৩১
Resentment over non-receipt of advance payments for buses requisitioned for election duties; bus owners demand prompt payment

—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।

বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বেসরকারি বাস অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে অগ্রিম টাকা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করলেন রাজ্যের বাসমালিকেরা। এই বিষয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, পরিবহণ দফতর এবং সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই নির্বাচন সংক্রান্ত কাজে বেসরকারি বাস অধিগ্রহণের বিষয়টি নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং পরিবহণ দফতরকে একাধিকবার অবগত করা হয়েছিল। বাসমালিকদের তরফে আগাম জানতে চাওয়া হয়, বাসের দৈনিক ভাড়া কত হবে, শ্রমিকদের খোরাকি কত নির্ধারিত হবে এবং অধিগৃহীত বাসের জন্য কত অগ্রিম অর্থ প্রদান করা হবে। কিন্তু অভিযোগ, সেই সব বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হলেও বাস্তবে তা কার্যকর হয়নি।

Advertisement

ইতিমধ্যে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলা, এবং দক্ষিণবঙ্গের কয়েকটি জেলায় বিপুল সংখ্যক বাস নির্বাচনী কাজে ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু সেই সব জেলার বহু বাসমালিক এখনও পর্যন্ত কোনও অগ্রিম অর্থ পাননি বলে অভিযোগ। রায়গঞ্জ, বালুরঘাট, মেদিনীপুর-সহ একাধিক এলাকার মালিকদের এই পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। অন্য দিকে, দ্বিতীয় দফার নির্বাচন ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ২৬ এপ্রিল থেকেই সংশ্লিষ্ট বাসগুলিকে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। এর মধ্যেই অভিযোগ উঠেছে, হুগলি ও হাওড়া জেলায় কিছু বাসমালিক অগ্রিম অর্থ পেলেও কলকাতা, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনার মালিকেরা এখনও বঞ্চিত। এই বৈষম্যমূলক আচরণে ক্ষোভ বাড়ছে বাসমালিকদের মধ্যে।

বাস সিন্ডিকেটের সম্পাদক তপন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “একই রাজ্যে এক এক জেলায় এক এক রকম আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। নির্বাচন দফতরের এই দ্বিচারিতা মেনে নেওয়া যায় না।” তিনি আরও বলেন, ‘‘বাসমালিকদের নিজেদের পকেট থেকে শ্রমিকদের বেতন, বাসের ইএমআই এবং অন্যান্য দৈনন্দিন খরচ বহন করতে হচ্ছে, যা অত্যন্ত চাপের।’’ সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ২৩ এপ্রিল থেকে ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সব বাস ও মিনিবাস নির্বাচনী কাজে অধিগ্রহণ করা হয়েছে, তাদের সকলের অ্যাকাউন্টে অবিলম্বে অগ্রিম অর্থ পাঠাতে হবে। অন্যথায় এই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। বাসমালিকদের দাবি, দ্রুত সমস্যার সমাধান না হলে ভবিষ্যতে নির্বাচনী কাজে যানবাহন সরবরাহেও প্রভাব পড়তে পারে।

Advertisement
আরও পড়ুন