Viral Video

সমুদ্রের গভীরে সন্তানকে দুধ খাওয়াচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম প্রাণী! ভাইরাল ভিডিয়ো দেখে আপ্লুত নেটপাড়া, উঠল প্রশ্নও

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সমুদ্রের গভীরে সাঁতার কাটছে একটি বিশাল নীল তিমি। তার সঙ্গে রয়েছে একটি বাচ্চা তিমিও, যাকে তার সন্তান বলেই মনে হচ্ছে। এর পর বিশাল তিমির শরীর থেকে সাদা একটি তরল নিঃসৃত হতে দেখা যায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:০৭
Video shows mother whale feeding baby whale under water, raises authenticity question

ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

নীল তিমি পৃথিবীর বৃহত্তম স্তন্যপায়ী প্রাণী। এদের ওজন ৩৩-৩৫টি হাতির সমান হতে পারে। বিশাল আকার সত্ত্বেও তিমিরা সমুদ্রের গভীরেও সন্তানদের প্রতি তাদের স্নেহ প্রকাশে অবিচল থাকে। সম্প্রতি তেমনই দাবি করে একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে প্রকাশ্যে এসেছে। ভি়ডিয়োয় দেখা গিয়েছে, ছোট্ট সন্তানকে দুধ পান করাচ্ছে একটি বিশাল মা নীল তিমি। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। সত্যতা নিয়ে প্রশ্নও উঠেছে। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কবে এবং কোথায় ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে, তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।

Advertisement

ভাইরাল সেই ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, সমুদ্রের গভীরে সাঁতার কাটছে একটি বিশাল নীল তিমি। তার সঙ্গে রয়েছে একটি বাচ্চা তিমিও, যাকে তার সন্তান বলেই মনে হচ্ছে। এর পর বিশাল তিমির শরীর থেকে সাদা একটি তরল নিঃসৃত হতে দেখা যায়। সেই সাদা তরল খেতে শুরু করে বাচ্চা তিমি। দেখে মনে হচ্ছে যেন সন্তানকে দুধ খাওয়াচ্ছে মা তিমি। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে। পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাণী নীল তিমিকে তার শাবকের প্রতি এমন স্নেহ দেখাতে দেখে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন নেটাগরিকেরা।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘আফশিনিমরানি’ নামের একটি ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে নেটাগরিকদের অনেকেরই মন ভরে গেছে। সন্তানের প্রতি নীল তিমির স্নেহ দেখে ভাল ভাল মন্তব্যও করেছেন অনেকে। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘ঈশ্বর কী কী বিস্ময় সৃষ্টি করেছেন!’’ অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘প্রকৃতির চেয়ে সুন্দর আর কিছুই নেই।’’ তবে নেটাগরিকদের একাংশ ভিডিয়োটির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের দাবি, ভিডিয়োটি এআই-নির্মিত। সে রকমই এক নেটাগরিক লিখেছেন, ‘‘ভিডিয়োটি সত্যি বলে আমার মনে হচ্ছে না। কৃত্রিম মেধা দিয়ে তৈরি হতে পারে।’’

Advertisement
আরও পড়ুন