Viral Video

দুপুরের খাবারে শুকনো রুটি আর চিনি! খুদে পড়ুয়াকে দেখে শিক্ষিকা যা করলেন, দেখে চোখ ভিজল নেটপাড়ার, ভাইরাল ভিডিয়ো

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি স্কুলে টিফিনের বিরতিতে দুপুরের খাবার খাচ্ছিল কচিকাঁচারা। এক শিক্ষিকা তা ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন। এমন সময় এক খুদে পড়ুয়াকে দুপুরে শুধু রুটি আর চিনি খেতে দেখে থমকে যান তিনি।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২১ এপ্রিল ২০২৬ ১৮:৫৬
Video shows teacher does encouraging thing after seeing little student having only bread and sugar for lunch

রুটি-চিনি খাচ্ছে খুদে পড়ুয়া। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।

টিফিনের বিরতিতে দুপুরের খাবারে শুধু রুটি-চিনি খাচ্ছিল খুদে ছাত্র। লক্ষ করে এগিয়ে গেলেন শিক্ষিকা। এর পর তিনি যা করলেন, তা দেখে আবেগাপ্লুত ও অশ্রুসিক্ত নেটপাড়া। সেই ঘটনার একটি ভিডিয়ো ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে। ভাইরাল হয়েছে ভিডিয়োটি। যদিও সেই ভিডিয়োর সত্যতা যাচাই করেনি আনন্দবাজার ডট কম। ঘটনাটি কবে এবং কোথায় ক্যামেরাবন্দি করা হয়েছে তা-ও ওই ভিডিয়ো থেকে স্পষ্ট নয়।

Advertisement

ভাইরাল ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে, একটি স্কুলে টিফিনের বিরতিতে খাবার খাচ্ছিল কচিকাঁচারা। এক শিক্ষিকা তা ঘুরে ঘুরে দেখছিলেন। এমন সময় এক খুদে পড়ুয়াকে দুপুরে শুধু রুটি আর চিনি খেতে দেখে থমকে যান তিনি। শান্ত ভাবে তার দিকে এগিয়ে যান। তাকে দেখেই খাবার লুকোনোর চেষ্টা করে খুদে। তবে পরিস্থিতিকে অতিরঞ্জিত না করে ছাত্রকে অস্বস্তির হাত থেকে রক্ষা করেন ওই শিক্ষিকা। শিশুটির খাবারকে সম্মান জানাতে তিনি বলেন, রুটি আর চিনি খুব উপাদেয় খাবার। বাকি পড়ুয়াদেরও তিনি পরের দিন রুটি আর চিনি আনতে বলেন। তিনি নিজেও তা-ই আনবেন এবং সবাই মিলে আনন্দ করে খাবেন। সে কথা শুনে হাসি ফুটে ওঠে ওই খুদে পড়ুয়ার মুখে। সেই ভিডিয়োই প্রকাশ্যে এসেছে।

ভাইরাল ভিডিয়োটি পোস্ট করা হয়েছে ‘আপ২ডেট.ইন্ড’ নামের ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডল থেকে। ইতিমধ্যেই বহু মানুষ দেখেছেন সেই ভিডিয়ো। লাইক এবং কমেন্টের বন্যা বয়ে গিয়েছে। ভিডিয়োটি দেখে ওই শিক্ষিকার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন নেটাগরিকেরা। তাঁকে দয়ালু এবং সহানুভূতিশীল বলেও মন্তব্য করেছেন নেটাগরিকদের একাংশ। এক নেটাগরিক ভিডিয়োটি দেখার পর লিখেছেন, ‘‘শিশুরা অত্যন্ত সংবেদনশীল হয়। অসতর্ক কথায় তাদের কষ্ট হতে পারে। শিক্ষিকা বিষয়টি মাথায় রেখে শিশুটির অনুভূতি রক্ষা করেছেন এবং এর মাধ্যমে তিনি অন্য ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের জন্য দৃষ্টান্তও স্থাপন করেছেন।’’ অন্য এক জন লিখেছেন, ‘‘সত্যিই সুন্দর মনের একজন শিক্ষিকা। চোখে জল এসে গেল। আমার মা-ও আমাকে দুপুরের খাবারে রুটি আর চিনি দিতেন। আমি খুব ভালবাসতাম সেটা খেতে। আমি শিশুটিকে জড়িয়ে ধরতে চাই।’’

Advertisement
আরও পড়ুন