West Bengal Election 2026

জ্ঞানেশ-নোটিস কি তবে ঠান্ডা ঘরে, সরব তৃণমূল

এলিপিজি সঙ্কটের প্রতিবাদে গ্যাস সিলিন্ডারের ছবি দেওয়া টি-শার্ট পরে সংসদে ঢোকেন ডেরেক। রাজ্যসভায় ডিজিটাল স্ক্রিনের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে তিন মিনিটের বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনের প্রসঙ্গও টেনে আনতে দেখা যায় তাঁকে।

নিজস্ব সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৮ মার্চ ২০২৬ ০৭:৩৫
ডেরেক ও’ব্রায়েন।

ডেরেক ও’ব্রায়েন। — ফাইল চিত্র।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হিসেবে পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করছেন জ্ঞানেশ কুমার, এই অভিযোগে সংসদের দুই কক্ষে লিখিত প্রস্তাব জমা দিয়েছিলেন বিরোধী সাংসদেরা। দু’সপ্তাহ কেটে যাওয়ার পরেও লোকসভার স্পিকার অথবা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান ওই নোটিসের প্রাপ্তিটুকুও স্বীকার করেননি বলে অভিযোগ তৃণমূল-সহ বিরোধীদের।

আজ তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন ক্ষোভের সঙ্গে জানিয়েছেন, “সংসদ নিয়ে ঠাট্টা চলছে। লোকসভা এবং রাজ্যসভায় প্রধানমন্ত্রী এসে ‘মন কি বাত’ শুনিয়ে চলে যাচ্ছেন! অধিবেশন চলছে অথচ দেশে এলপিজি সঙ্কট নিয়ে বিরোধীদের আলোচনার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে না। ‘চায়ে পে চর্চা’ নয়, আমরা চেয়েছিলাম সংসদে চর্চা হোক। স্পিকার এবং চেয়ারম্যান একটি লাইন লিখেও আমাদের দেওয়া মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সংক্রান্ত নোটিস সম্পর্কে উচ্চবাচ্য করেননি। আগামী সপ্তাহে অধিবেশন শেষ হয়ে যাবে, আর তার পরেই ভোট। বিষয়টিকে কৌশল করে ঠান্ডাঘরে ঢুকিয়ে দেওয়া হচ্ছে।”

এলিপিজি সঙ্কটের প্রতিবাদে গ্যাস সিলিন্ডারের ছবি দেওয়া টি-শার্ট পরে সংসদে ঢোকেন ডেরেক। রাজ্যসভায় ডিজিটাল স্ক্রিনের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে তিন মিনিটের বক্তব্যে নির্বাচন কমিশনের প্রসঙ্গও টেনে আনতে দেখা যায় তাঁকে। বলেন, “নির্বাচন কমিশনের পোর্টালের দিকে সমানে নজর রাখতে বাধ্য হচ্ছেন তালিকা থেকে বাদ যাওয়া ভোটাররা। এটাও এক ধরনের ডিজিটাল অত্যাচার।”

এর আগে তিন বার তৃণমূলের সংসদীয় দলের দেখা করতে চাওয়ার আবেদন, ‘সময়ের অভাবের’ কারণ দর্শিয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তবে হাল না ছেড়ে ফের তাঁর সঙ্গে জনজাতি কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলি নিয়ে কথা বলতে চেয়ে সময়ের আবেদন করে তৃণমূল। তারও কোনও জবাব আসেনি। ডেরেকের কথায়, “আমরা এই মাসের শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করব। তার পরে আরও চোখে পড়ার মতো কোনও উপায় অবলম্বন করব, যাতে রাষ্ট্রপতি আমাদের দাবির প্রতি মনোযোগী হয়ে সময় দেন।”

আরও পড়ুন