— প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
শিল্পোন্নয়নের লক্ষ্যে এ রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনিতে ১,৬০০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র গড়ে উঠতে চলেছে। ওই কেন্দ্রে পরবর্তী কালে কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি পেতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞেরা। দেশে এমন তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা ২৬০-এরও বেশি। এ ছাড়াও পারমাণবিক কেন্দ্র রয়েছে ২৫টি। জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যও ১৯৭টি প্রকল্পে কাজ চলছে।
সাম্প্রতিক এক সমীক্ষার রিপোর্ট বলছে, বছরে ওই সব কেন্দ্র থেকে মোট ১,৮২৪ কোটি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে কয়লা উৎপন্ন বিদ্যুতের পরিমাণ সব থেকে বেশি হলেও, সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলশক্তি এবং পারমাণবিক শক্তিও ব্যবহার করা হচ্ছে বিদ্যৎ চাহিদা মেটাতে। সে জন্য বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে নিয়মিত স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর যোগ্যতাসম্পন্নদের নিয়োগ করা হয়ে থাকে। কিন্তু কারা কোন বিভাগে চাকরির সুযোগ পেয়ে থাকেন, তা জেনে নেওয়া প্রয়োজন।
কোন বিভাগে কেমন সুযোগ?
কী কাজ করতে হয়?
উল্লিখিত পদে নিযুক্তদের উপর বিদ্যুৎ উৎপাদনে নজরদারি, প্রযুক্তিগত সমস্যার সমাধান, কাজের কৌশল নির্ধারণ করার পাশাপাশি, দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার দায়িত্ব থাকে। এ ছাড়াও প্লান্ট অপারেশন থেকে শুরু করে ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত বিষয়গুলি দেখাভালের জন্যও বিশেষজ্ঞদের প্রয়োজন হয়ে থাকে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ভাতা বা পারিশ্রমিক মাসে ৭-৮ হাজার টাকা থেকে শুরু হয়। সংস্থার নিরিখে ওই পারিশ্রমিক ৪০ হাজার টাকা থেকে ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।
দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত কেন্দ্রগুলিতে নিয়মিত ভাবে ইঞ্জিনিয়ারিং ছাড়াও অন্য ডিগ্রিপ্রাপ্ত পড়ুয়াদের যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল— নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড, পাওয়ারগ্রিড কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড, ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কর্পোরেশন লিমিটেড, ন্যাশনাল হাইড্রোইলেক্ট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন প্রাইভেট লিমিটেড। তবে, এ ক্ষেত্রে শারীরিক এবং মানসিক দৃঢ়তাও থাকা প্রয়োজন।