(বাঁ দিকে) আমির খান, (ডান দিকে) আইরা খান। ছবি: সংগৃহীত।
বাবা আমির খান ও মা রিনা দত্তের বিচ্ছেদ প্রভাব ফেলেছিল মেয়ে আইরা খানের উপর। অবসাদে ভুগতে শুরু করেন তিনি। স্বামী নূপুরের সঙ্গে আলাপের পরে নাকি পরিস্থিতি বদলায়। গত আট বছর ধরে চিকিৎসা করে এখন অনেকটা সুস্থ। যদিও আইরা জানান, শুধু বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ নয়, ছোটবেলা থেকে ওজন নিয়েও কটাক্ষের শিকার হয়েছেন তিনি। তাই মেয়েকে নিয়ে জার্মানি চলে যান আমির।
আইরা জানান, তিনি যখন বড় হচ্ছেন, তখন ভাবতেন আয়নার দিকে তাকানো নিরর্থক। আইরার কথায়, ‘‘কেউ আমাকে না দেখলেও, আমি চুপিচুপি আয়নায় দেখেই অন্য দিকে তাকাতাম। আসলে আমি প্রথমে ভাবতাম যে আমি মোটা, তাই আমি অযোগ্য।’’ মেয়ের এমন হীনম্মন্যতা দেখে তাঁকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য জার্মানি চলে যান আমির।
আইরা বলেন, “আমরা জার্মানিতে ১৭ দিন কাটিয়েছি। ডাক্তারদের সঙ্গে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে থেকেছি। ১৭ দিন উপবাস করেছি। উপবাস ছাড়াও, আমাদের যা খুশি করার স্বাধীনতা ছিল। আমাদের বেড়াতে নিয়ে যাওয়া হত। তার ৩টি স্তর ছিল।’’ যদিও সেখানে গিয়েও বিচলিত হয়ে পড়েন আইরা। প্রায় সময়েই নাকি কাঁদতেন। সেই সময়ে তাঁর বাবাই হাতটা শক্ত করে ধরেন। ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ পর্যন্ত তাঁর ওজন নিয়ে নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে যেতে হয় আইরাকে। ৮৪ কেজি থেকে ওজন ঝরিয়ে এখন ৫৭ কেজি ওজন তাঁর। খুশি আইরা।