Abhijit Bhattacharyay

‘বরুণের দ্বারা কিস্‌সু হবে না’, ঠিক কী কারণে ডেভিড-পুত্রের উপর চটে গেলেন গায়ক অভিজিৎ?

একদা যাঁর ছবিতে একের পর এক গান গেয়েছেন, সেই ডেভিড ধবনেরই পুত্রকে সমালোচনায় বিদ্ধ করেছেন অভিজিৎ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৭ মে ২০২৬ ০৯:৫৯
ডেভিড পুত্র বরুণের সমালোচনায় অভিজিৎ ভট্টাচার্য।

ডেভিড পুত্র বরুণের সমালোচনায় অভিজিৎ ভট্টাচার্য। ছবি: সংগৃহীত।

‘হ্যায় জওয়ানী তো ইশক হোনা হ্যায়’ ছবিতে বরুণ ধবনকে দেখা যাচ্ছে নায়িকা পুজা হেগড়ের সঙ্গে ‘চুনরি চুনরি’ গানে নাচতে। এই গানটি ১৯৯৯ সালে ‘বিবি নম্বর ওয়ান’ ছবিতে সলমন খানের লিপে গাওয়ানো হয়েছিল। গানটি গেয়েছিলেন অভিজিৎ ভট্টাচার্য। এ বার যখন এই ছবিতে পুনর্নির্মাণ করা হল গানটির, সেখানে অভিজিতের কণ্ঠ ব্যবহার করা হয়নি। তাতেই নাকি ‘হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছেন’ তিনি! একদা যাঁর ছবিতে একের পর এক গান গেয়েছেন, সেই ডেভিড ধবনেরই পুত্রকে সমালোচনায় বিদ্ধ করেছেন অভিজিৎ।

Advertisement

নতুন যে ‘চুনরি চুনরি’ গানটিতে মুক্তি পেয়েছে তাতে নতুন প্রজন্মের তিন-চার জন গায়ক মিলে গেয়েছেন। তাতে অভিজিতের বক্তব্য, ‘‘ভাগ্যিস, আমার কণ্ঠ ব্যবহার করেনি। নয়তো লোকের কাছে গালিগালাজ খেতে হত। কারণ, বরুণের দ্বারা কিস্‌সু হবে না। ও কখনওই বড় তারকা হতে পারবে না।’’ অভিজিতের দাবি, তাঁর কণ্ঠে সলমনের কেরিয়ারের দু’টি গান ‘চুনরি চুনরি’ ও ‘টন টনা টন’ গানটি অভিনেতার কেরিয়ার গড়ে দিয়েছে। কিন্তু বরুণের পক্ষে কিছুই করা সম্ভব নয়। কারণ তাঁর সঙ্গে সলমনের বিস্তর ফারাক।

অভিজিতের কথায়, ‘‘সলমনের সঙ্গে বরুণের ফারাকটা হল অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে আসরানীর অভিনয়ের পার্থক্যের মতো। আমার কণ্ঠটা ব্যবহার না করে একেবারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’’ যদিও বরুণের এই ছবির ঝলক মুক্তি অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন সলমন নিজেই। বরুণের প্রশংসাও করেন। বরুণকে নিয়ে আশাবাদী তাঁর বাবা ডেভিডও। তিনি জানান, বরুণ অভিনয় করছেন, ভবিষ্যতে আরও শিখবেন। কিন্তু মানুষ হিসাবে তিনি অতুলনীয়।

Advertisement
আরও পড়ুন