আইনি বিয়ের পর অভিনেতা অনুজয় চট্টোপাধ্যায়, দেবারতি চক্রবর্তী। ছবি: ফেসবুক।
শনিবার অনুজয় চট্টোপাধ্যায়-দেবারতি চক্রবর্তীর আইনি বিয়ে, সিঁদুরদান। রাতে খুব কাছের কিছু মঞ্চাভিনেতা বন্ধুকে নিয়ে প্রীতিভোজ। রবিবার সকালে নিজের হাতে বানানো চায়ে চুমুক দিতে দিতে আনন্দবাজার ডট কম-এর কাছে মঞ্চ এবং পর্দার জনপ্রিয় অভিনেতা বললেন, “বেশ ভাল লাগছে। আমি আর দেবারতি হাসিমুখে ঘুরে বেড়াচ্ছি।”
বিয়ের বয়স মাত্র একদিন। এই প্রাতিষ্ঠানিক সম্মতি তাঁর কলকাতার বাড়িতে সদস্যসংখ্যা বাড়িয়েছে। অনুজয়ের কথায়, “সেটা দেখেই মন ভরে যাচ্ছে।”
বসন্তে বাঁধা পড়লেন অনুজয়-দেবারতি। ছবি: ফেসবুক।
মঞ্চ মিলিয়েছে অনুজয়-দেবারতিকে। পাশাপাশি, দেবারতি শিক্ষকতা করেন প্রথম সারির একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে। কিন্তু পর্দার অনুজয় যে দারুণ রগচটা! সেটা অদিতি রায়ের ‘লজ্জা’ সিরিজ় হোক। কিংবা সম্প্রতি মুক্তি পাওয়া ছবি ‘বিজয়নগরের হীরে’। তিনিই গত দু’বছর ধরে প্রেমে ছিলেন? ব্যতিক্রম অবশ্য সিরিজ় ‘কালরাত্রি ২’। সেখানে ‘রাফ অ্যান্ড টাফ’ পুলিশ অফিসার অনুজয় পছন্দের মানুষের সামনে কিন্তু রোম্যান্টিক। শুনে ফোনের ও পারে মৃদু হাসি। অনুজয়ের যুক্তি, “পর্দায় আমার দুষ্টুমিটাই জনপ্রিয় হয়ে গিয়েছে। বাস্তবে আমি প্রেমিক প্রকৃতির। আমার মনও বসন্তবাতাস ছুঁয়ে যায়।”
অভিনেতা আরও ভাঙলেন, “বাড়িতে মা রয়েছেন। পরিবারের বাকিরাও আছেন। আমি খুবই সাধারণ মধ্যবিত্ত। দেবারতি এবং আমি তাই বিয়েতে বিশ্বাসী। প্রাতিষ্ঠানিক সম্মতির প্রয়োজন আছে বলে মনে করি। তা বলে অহেতুক জাঁকজমক নয়।” আগামী দিনে সকালের দু’কাপ চা বানানোর দায়িত্ব কি অনুজয়ের? ফের হাসি। “বিয়ের সবে তো একদিন। এখনও দায়িত্ব ভাগাভাগি পর্যন্তই পৌঁছোইনি। পুরো বিষয়টি উপভোগ করছি।”