US-Iran Conflict

মার্কিন নৌবহর পশ্চিম এশিয়ায় পৌঁছে যেতেই আক্রমণাত্মক ইরান! হরমুজ প্রণালীতে শুরু হয়ে গেল যুদ্ধ মহড়া

হরমুজ প্রণালী এমন এক সংকীর্ণ জলপথ, যেখানে সামান্য অস্থিরতাও বিশ্ব জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক জলপথ পরিবহণ ব্যবস্থায় আঘাত হানতে পারে। সেই কৌশলগত অবস্থানের সুযোগ নিয়েই পাল্টা আগ্রাসনের পথে হাঁটতে চাইছে খামেনেইয়ের দেশ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:১৭

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

মার্কিন চাপের মুখে এ বার পাল্টা পদক্ষেপ করল ইরান। রবিবার থেকে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালীতে শুরু করেছে নৌযুদ্ধের মহড়া। এই ঘটনার জেরে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Advertisement

ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে দক্ষিণ চিন সাগর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল মার্কিন বিমানবাহী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন! নিমিৎজ-শ্রেণির এই রণতরীর সঙ্গী তিনটি আর্লে বার্ক-শ্রেণির ডেস্ট্রয়ারও পশ্চিম এশিয়ার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। গত সপ্তাহে তারা ইরান উপকূলের অদূরে ঘাঁটি গেড়েছে। এই আবহে এ বার হরমুজ প্রণালীকে কেন্দ্র করে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের পথে হাঁটল ইরান।

তেহরান শনিবার রাতে ঘোষণা করছে, রবিবার ও সোমবার হরমুজ প্রণালিতে ‘লাইভ ফায়ার ড্রিল’ (সরাসরি গোলাবর্ষণ মহড়া) চালানো হবে। সামরিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, ইরানের নজর হরমুজে থাকার প্রধান কারণ হল— এটি এমন এক সংকীর্ণ জলপথ, যেখানে সামান্য অস্থিরতাও বিশ্ব জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক জলপথ পরিবহণ ব্যবস্থায় আঘাত হানতে পারে। সেই কৌশলগত অবস্থানের সুযোগ নিয়েই পাল্টা আগ্রাসনের পথে হাঁটতে চাইছে খামেনেইয়ের দেশ। প্রসঙ্গত, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া গণবিক্ষোভে ইরানে প্রায় ১০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। কয়েকটি মানবাধিকার সংগঠনের দাবি, ১৫ হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে খুন করে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা খামেনেইয়ের বাহিনী। এই পরিস্থিতি ঘিরে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে। আর তার মধ্যেই এ বার শুরু হল সমুদ্রে পেশি প্রদর্শন।

Advertisement
আরও পড়ুন