Indian Hypersonic Missiles

যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা এবং গতি বাড়াতে বায়ুসেনার নতুন প্রযুক্তি! বেঙ্গালুরুর সংস্থার সঙ্গে সই হল চুক্তি

এয়ার-ব্রেথিং প্রোপালশন সিস্টেম হল এমন এক ধরনের ইঞ্জিন-প্রযুক্তি, যা জ্বালানির দহনের জন্য বায়ুমণ্ডলীয় অক্সিজেন ব্যবহার করতে পারে। ফলে সাধারণ রকেটের মতো আলাদা অক্সিজেন বহন করার প্রয়োজন হয় না।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ জানুয়ারি ২০২৬ ১৪:১৮
Indian Air Force seals pact with FSID of Indian Institute of Science for Homegrown Hypersonic Propulsion System

সামরিক পরিভাষায় ‘এয়ার-ব্রেথিং প্রোপালশন সিস্টেম’। আদতে যুদ্ধবিমান বা দূরপাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা বৃদ্ধির এক অভিনব প্রযুক্তি। আর তা অর্জনের লক্ষ্যে এ বার বেঙ্গালুরুর ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স (আইআইএসসি) নিয়ন্ত্রিত ‘ফাউন্ডেশন ফর সায়েন্স ইনোভেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট’ (এফএসআইডি)-র সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করল ভারতীয় বায়ুসেনা।

Advertisement

এয়ার-ব্রেথিং প্রোপালশন সিস্টেম হল এমন এক ধরনের ইঞ্জিন-প্রযুক্তি, যা জ্বালানির দহনের জন্য বায়ুমণ্ডলীয় অক্সিজেন ব্যবহার করতে পারে। ফলে সাধারণ রকেটের মতো আলাদা অক্সিজেন বহন করার প্রয়োজন হয় না। এটি সাধারণ ভাবে হাইপারসনিক (শব্দের চেয়ে পাঁচগুণ বা তার বেশি গতিবেগ সম্পন্ন) বিমান এবং ক্ষেপণাস্ত্র এবং ব্যবহৃত হয়। এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সাহায্যে পেলোড (অস্ত্র বা বিস্ফোরক) বহন ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং হাইপারসনিক যানের পাল্লাও বাড়ে।

সাধারণ রকেট ইঞ্জিনে নিজস্ব অক্সিডাইজার (অক্সিজেন সরবরাহকারী ব্যবস্থা) থাকে, কিন্তু এয়ার-ব্রেথিং সিস্টেমে তা প্রয়োজন হয় না। এর ফলে দূরপাল্লার হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র বা যুদ্ধবিমান হালকা হয়। তবে প্রচলিত জেট ইঞ্জিনের (টার্বোফ্যান, টার্বোজেট) পাশাপাশি আধুনিক হাইপারসনিক (র‍্যামজেট, স্ক্র্যামজেট) ইঞ্জিনেও এই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। হাইপারসনিক প্রোপালশন প্রযুক্তি শুধু আমেরিকা, রাশিয়া এবং চিনের হাতে রয়েছে। আইআইএসসির ‘হাত ধরে’ এই প্রযুক্তি আত্মস্থ হলে জাতীয় প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভরতার নতুন মাত্রা অর্জন করবে ভারত।

Advertisement
আরও পড়ুন