Pakistan Army

একসঙ্গে তিন প্রদেশ জুড়ে বিদ্রোহী নিধন অভিযান শুরু করল পাক সেনা! গুলির লড়াইয়ে নিহত অন্তত ৫২

বৃহস্পতিবার রাত থেকে বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এবং তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি) বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে পাক সেনা, আধাসেনা এবং পুলিশের যৌথবাহিনী।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ জানুয়ারি ২০২৬ ১৯:৩০
Pakistan Security Forces kill 52 BLO and TTP rebels across three provinces

বিদ্রোহী দমন অভিযানে পাক সেনা। ছবি: সংগৃহীত।

এক দিকে, বালোচিস্তান লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)। অন্য দিকে, তেহরিক-ই-তালিবান পাকিস্তান (টিটিপি)। বৃস্পতিবার রাত থেকে আফগানিস্তান সীমান্তবর্তী এলাকার বিভিন্ন প্রান্তে দুই বিদ্রোহী সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেছে পাক ফৌজ। সঙ্গী সশস্ত্র পুলিশ, বিশেষ সন্ত্রাসদমন বাহিনী ‘কাউন্টার-টেরোরিজম ডিপার্টমেন্ট’ (সিটিডি) এবং দুই আধাসেনা— ফ্রন্টিয়ার কোর ও রেঞ্জার্সের যৌথবাহিনী।

Advertisement

শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত ‘ত্রিমুখী’ এই অভিযানে অন্তত ৫২ জন বিদ্রোহী নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে পাক সেনার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ দফতর (আইএসপিআর)। বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার রাতে বালোচিস্তানের হারনাই এবং পাঞ্জগুর জেলায় অভিযান চালানো হয়। তাতে নিহত হয়েছেন ৪১ জন বালোচ বিদ্রোহী। শুক্রবার সকালে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশে একজন কমান্ডার-সহ পাঁচ জন এবং পাঞ্জাব প্রদেশে ছ’জন টিটিপি বিদ্রোহী সংঘর্ষে মারা পড়েছেন। প্রসঙ্গত, বিএলএ বিদ্রোহীদের ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্থান’ এবং টিটিপি জঙ্গিদের ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ়’ নামে চিহ্নিত করে ইসলামাবাদ।

গত ৯ অক্টোবর আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে বিমানহানা চালিয়েছিল পাকিস্তান বায়ুসেনা। ১০ অক্টোবর সীমান্ত লাগোয়া পকতিকা প্রদেশের মারঘি এলাকায় একটি বাজারে বিমানহানা চালানো হয়। ইসলামাবাদের দাবি, হামলা চালানো হয়েছিল টিটিপির ডেরার। ওই ঘটনার জেরে আফগানিস্তানের শাসক তালিবানের বাহিনীর সঙ্গে সীমান্ত সংঘর্ষ হয়েছিল পাক সেনার। ঘটনাচক্রে, আফগান সরকারের বিদেশমন্ত্রী আমির খান মুত্তাকির ভারত সফর শুরুর দিনেই হামলা হয়েছিল কাবুলে। কাতারের রাজধানী দোহায় গত ১৪ অক্টোবর দু’দেশের সাময়িক সংঘর্ষবিরতি চুক্তি হয়েছিল। কিন্তু তার পরেও বিমান হামলা চালিয়ে তিন ক্রিকেটার-সহ বেশ কয়েক জন অসামরিক আফগান নাগরিককে হত্যার অভিযোগ ওঠে ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে। এই আবহে আফগান সীমান্তে পাক সেনার অভিযান ঘিরে নতুন করে ইসলামাবাদ-কাবুল উত্তেজনার পারদ চড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন