(বাঁ দিক থেকে) প্রফুল পটেল, ছগন ভুজবল, অজিত পওয়ার, দেবেন্দ্র ফডণবীস। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
জল্পনা ছিল, প্রয়াত অজিত পওয়ারের পরে তাঁর কাকা শরদ পওয়ারের নেতৃত্বেই পুনর্মিলন হবে এনসিপির। কিন্তু শুক্রবার মরাঠা রাজনীতির গতিপথ বদলের বার্তা মিলল। অজিতের হাতে থাকা দফতরগুলি চেয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফডণবীসের দ্বারস্থ হলেন এনসিপি নেতারা।
শুক্রবার মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী ফডণবীসের সরকারি বাসভবন বর্ষায় গিয়ে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এনসিপি নেতা প্রফুল পটেল, ছগন ভুজবল এবং সুনীল তটকরে। এঁদের মধ্যে প্রফুল ‘বিজেপি ঘনিষ্ঠ’ হিসাবে পরিচিত। মূলত তাঁরই উদ্যোগে ২০২৩ সালে বিজেপির সঙ্গে অজিতের ‘সেতুবন্ধ’ হয়েছিল। ফডণবীস মন্ত্রিসভার উপমুখ্যমন্ত্রী অজিতের হাতে অর্থ, আবগারি, ক্রীড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতর ছিল। সূত্রের খবর, সেগুলি চেয়ে দরবার করেছেন প্রফুলেরা।
এরই পাশাপাশি এনসিপির অন্দরে অজিত-জায়া তথা এনসিপির রাজ্যসভা সাংসদ সুনেত্রাকে উপমুখ্যমন্ত্রী করার দাবিও ক্রমশ দানা বাঁধছে। বৃহস্পতিবার এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নরহরি জিরওয়াল বলেন, ‘‘সুনেত্রাকে উপমুখ্যমন্ত্রী করলেই আমাদের প্রয়াত নেতার প্রতি উপযুক্ত শ্রদ্ধা জানানো হবে।’’ সে ক্ষেত্রে পওয়ার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকার সংক্রান্ত টানাপড়েনের সমাধান হবে বলেও দাবি করেন তিনি। শুক্রবার অবশ্য এ নিয়ে দেবেন্দ্রর কাছে কোনও দাবি তোলেননি এনসিপি নেতারা। প্রফুল বলেন, ‘‘আমরা মহাজুটি (এনডিএর মরাঠী সংস্করণ) সহযোগী। তাই অজিত পওয়ারের পদটি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব পূরণ করার জন্য আমাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একই সঙ্গে, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই, যে কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমাদের জনসাধারণের ভাবাবেগ বিবেচনা করা উচিত। আমাদের পরিবারকে শোক থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কিছুটা সময় দিতে হবে। আমরা শীঘ্রই সুনেত্রা পওয়ার এবং পরিবারের সঙ্গে দলের ভবিষ্যতের পথ নিয়ে আলোচনা করব।’’