সৌরভের থেকে পরামর্শ পেয়েছেন দেব। ছবি: সংগৃহীত।
‘দাদাগিরি’র সঙ্গে জু়ড়ে গিয়েছিল সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের সরকার পরিবর্তনের পরে এ বার বদলে গেলেন রাজ্যের ‘দাদা’ও। এখন থেকে দাদার আসনে দেব।
বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাজো সাজো রব। এলাকার নানা দিকে ছড়িয়ে পড়েছে ‘দাদাগিরি’র টাইটেল ট্র্যাক-এর সুর। ‘দাদাগিরি’র ১১তম সিজ়নের প্রথম পর্বের শুটিংয়ে যেন উৎসবের আবহ। এই বিশেষ দিনের জন্য সম্পূর্ণ কালো রঙের পোশাক বেছে নিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের নতুন ‘দাদা’ দেব। লাল গালিচায় অতিথিদের অভ্যর্থনা জানান তিনি।
‘দাদাগিরি’র প্রস্তাব আসার পরে কি প্রাক্তন ‘দাদা’ অর্থাৎ সৌরভের সঙ্গে কথা বলেছিলেন দেব? প্রশ্ন করতেই টলিতারকার উত্তর, “দাদার সঙ্গে কথা হয়েছে। দাদা বেশ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন আমাকে। আমি দাদাকে ‘রিপ্লেস’ করিনি। দাদাও নতুন কিছু করতে চেয়েছিলেন। ‘দাদাগিরি’র টিমও নতুন কিছু চেয়েছিল এবং আমিও নতুন কিছু করতে চেয়েছিলাম। আশা করছি, দর্শকের ভাল লাগবে। আমি সকলের প্রত্যাশা পূর্ণ করার চেষ্টা করব।”
নতুন ভূমিকায় দেব। নিজস্ব চিত্র
এ দিন বিশেষ অতিথিদের মধ্যে ছিলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। ভিন্টেজ গাড়িতে চড়ে তিনি হাজির হন বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারের সামনে। একে একে আসেন হর্ষ নেওটিয়া, শান, সুনীল ছেত্রীরা।
নতুন ভাবে ‘দাদাগিরি’র শুটিং। তাই সকাল থেকেই নিজে দাঁড়িয়ে সবটা তদারকি করছিলেন পরিচালক অভিজিৎ সেন। প্রথম দিনের শুটিংয়ে দেবের প্রবেশ থেকে শুরু করে তাঁর উপস্থিতি, কোথাও যেন কোনও রকমের খামতি না থাকে, সেই দিকেই নজর ছিল তাঁর। অভিজিতের পরিচালনায় ছবিতে অভিনয় করেছেন দেব। কিন্তু ছোটপর্দায় রিয়্যালিটি শো-তে অভিজিতের পরিচালনায় এই প্রথম কাজ তাঁর। বলা ভাল, ছোটপর্দায় এত বড় কোনও অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা এই প্রথম করছেন দেব। তারকাকে নতুন রূপে দেখার জন্য উচ্ছ্বসিত তাঁর অনুরাগীরাও। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছিলেন অনুরাগীরা।
উৎসবের আবহ প্রেক্ষাগৃহ জুড়ে। নিজস্ব চিত্র
সিঁথির মোড়, এন্টালি, খিদিরপুর-সহ বিভিন্ন এলাকা থেকে নানা বয়সের অনুরাগীরা এসেছিলেন দেবকে প্রথম বার, সামনে থেকে সঞ্চালক রূপে দেখতে। বড়পর্দায় দেবকে দেখলে তাঁদের মধ্যে যে উত্তেজনা দেখা যায়, সেই একই উত্তেজনার সাক্ষী থাকল এ দিনের অনুষ্ঠানস্থল। মঞ্চে একসঙ্গে দেব ও প্রসেনজিৎকে দেখেই করতালিতে ভরিয়ে দেন অনুরাগীরা। মশাল জ্বালিয়ে প্রথম পর্বের শুটিংয়ের সূচনা হয়।