দুই কন্যা চিত্রাঙ্গদা শতরূপা এবং ঋতাভরী চক্রবর্তীর সঙ্গে শতরূপা সান্যাল। ছবি: ফেসবুক।
গত ২৭ মার্চ চিত্রাঙ্গদা শতরূপার কোলে এসেছে পুত্রসন্তান। ২৭ এপ্রিল সন্তানের একমাস পূরণ হতেই একরত্তির ছবি ভাগ করে নিয়েছেন নতুন মা। নাতিকে নিয়ে আহ্লাদে আটখানা পরিচালক-অভিনেত্রী শতরূপা সান্যাল।
নিজের সন্তানের ঘরে সন্তান। মা হয়েছেন বড় মেয়ে। আনন্দবাজার ডট কম ফোনে সে প্রসঙ্গ তুলতেই আনন্দের ছোঁয়া নতুন দিদার কণ্ঠস্বরে। “প্রথম মেয়ের ঘরে নাতি। আমি তো ভাবতেই পারছি না কী বলব”, উচ্ছ্বসিত শতরূপা। জুড়লেন, “আমার কোলে যখন দুই মেয়ে, তখন আনন্দে পাগল হয়ে গিয়েছিলাম। যখন যা মনে আসত, সেই নাম ধরে ডাকতাম। ওরা যেন আমার জ্যান্ত পুতুল। সারা ক্ষণ দুই মেয়েকে নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম।” সেই দিন যেন আবার ফিরে এসেছে তাঁর কাছে! ব্যস্ততার কারণে রোজ যেতে পারেন না নাতির কাছে। তবে সপ্তাহে অন্তত এক দিন যাবেনই, জানালেন বর্ষীয়ান পরিচালক-অভিনেত্রী। নাতিকে আদর করে ডাকছেন ‘টকাই’ বলে।
সন্তানের এক মাস বয়সের ছবি ভাগ করে নিয়েছেন চিত্রাঙ্গদা শতরূপা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
শতরূপার কথায়, “আমার অনুপস্থিতির ফাঁক ভরিয়ে দিচ্ছে আমার ছোট মেয়ে ঋতাভরী। ওর ‘মিনিয়েচার’ দুনিয়ায় নতুন সংস্করণ। প্রথম মাসি হয়েছে। বাড়ির অনুষ্ঠানে ‘বুড়ি ছোঁয়া’ থাকে, এত ব্যস্ততা। বোনপো-র বেলায় সেই ব্যস্ততা উধাও! পারলে প্রায় রোজই যাচ্ছে দিদির কাছে। বোনপোর সঙ্গে সময় কাটিয়ে আসছে।” এ-ও জানালেন, আপাতত নাতির মুখে তাঁর বড় মেয়ের আদল। পর ক্ষণেই বলেছেন, “এখন তো রোজ মুখের আদল বদলাবে। ১৫-১৬ বছর বয়সের পর হয়তো নির্দিষ্ট আদল দেখতে পাব।”
নাতি রাত জাগছে। ছেলেকে সঙ্গ দিতে গিয়ে চোখের কোল বসছে চিত্রাঙ্গদার, কথায় কথায় সে কথা জানাতেও ভোলেননি শতরূপা। দিদা-নাতির ‘বন্ডিং’ কি গাঢ় হল? দিদাকে বিয়ের আশ্বাস দিয়েছে তাঁর ‘টকাই’? প্রশ্ন শুনে ফের হাসি। এক রাশ তৃপ্তি নিয়ে শতরূপা বললেন, “বিয়ে করবে কি না জানি না। তবে এত বছর পরে ‘স্টেডি বয়ফ্রেন্ড পেলাম’। এতেই খুব খুশি।”