অন্বেষা রায় মুখোপাধ্যায়। ছবি: ফেসবুক।
ভাল আছেন ‘কম্পাস’ ধারাবাহিকের অভিনেত্রী অন্বেষা রায় মুখোপাধ্যায়। আনন্দবাজার ডট কম-কে জানিয়েছেন, হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেছেন। তিন দিন আগের ঘটনা আর মনে করতে চান না তিনি। বললেন, “পুরো ব্যাপারটাই আচমকা ঘটেছে। আমি প্রস্তুত ছিলাম না।”
আপাতত বাড়িতে বিশ্রামে থাকতে হবে অন্বেষাকে। চিকিৎসক তাঁকে এই পরামর্শই দিয়েছেন। কিন্তু অভিনেত্রীর মন কি সে কথা মানতে চায়?
অস্ত্রোপচার হয় অন্বেষার। ছবি: ফেসবুক।
অন্বেষার কথায়, “সে দিনও নির্দিষ্ট সময়ে প্রতি দিনের মতো ধারাবাহিকের সেটে পৌঁছে গিয়েছিলাম। আচমকা শরীর খারাপ লাগতে শুরু করে। ‘কম্পাস’-এর প্রযোজক সুশান্ত দাস। আমি প্রযোজনা সংস্থাকে বিষয়টি জানাই। সেটের প্রত্যেকে প্রচণ্ড সহযোগিতা করেন।” এ প্রসঙ্গে আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে কথা বলেছেন ধারাবাহিকের সৃজনশীল পরিচালক মণিমালা পাল। তাঁর কথায়, “অন্বেষার পেটে খুবই ব্যথা হচ্ছিল। বিষয়টি জানার পরেই ওকে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়। আমাদের থেকে ছুটি নিয়ে নিজেই গাড়ি চালিয়ে পৌঁছে যায় হাসপাতালে।” মণিমালা জানান, প্রযোজনা সংস্থা অভিনেত্রীকে গাড়ি দিয়ে হাসপাতালে পৌঁছে দেওয়ার কথাও জানিয়েছিল।
‘কম্পাস’ ধারাবাহিকের সেট স্বস্তি দেয় অন্বেষাকে। ছবি: ফেসবুক।
অন্বেষা জানতেন না তিনি অন্তঃসত্ত্বা। তাঁর কথায়, “চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, মাস দুয়েক ধরে গর্ভে সন্তান ছিল। আমি বুঝতেই পারিনি। ফলে, শুটিংয়ে গিয়েছিলাম। স্টুডিয়োতেই পেটে ব্যথা শুরু হয়।” তাঁকে প্রাণে বাঁচাতে অস্ত্রোপচার করেছেন চিকিৎসক। অনাগত সন্তানকে হারিয়ে মুষড়ে পড়েছেন অভিনেত্রী। তাই দ্রুত কাজে ফিরতে চান। অন্বেষার কথায়, “নারীর কাছে এই ঘটনা ভীষণ যন্ত্রণার। কাজে ডুব দিয়ে সেই যন্ত্রণা ভুলতে চাই। একমাত্র শুটিং আর সেট পারবে জমে থাকা সব কষ্ট মুছিয়ে দিতে।”