Anupam Kher at DDLJ Set

‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া’র শুটিং লোকেশনে অনুপম, আবেগপ্রবণ অভিনেতা সরকারের কাছে করলেন বিশেষ আবেদন

‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ ছবির ট্রেনের দৃশ্য আজও দর্শকের মনে টাটকা। যে লোকেশনে ওই দৃশ্যের শুটিং হয়েছিল, সেখানেই পৌঁছোলেন অনুপম খের।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১১ মে ২০২৬ ১৩:৪৯
স্মৃতির পাতা উল্টে দেখলেন অনুপম।

স্মৃতির পাতা উল্টে দেখলেন অনুপম। ছবি: সংগৃহীত।

১৯৯৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’। ৩০ বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গিয়েছে। এখনও বলিউডের অন্যতম আলোচিত ছবির অন্যতম। পর্দায় শাহরুখ খান ও কাজলের রোমান্স দেখে আজও প্রেমে পড়ে দেশবাসী। সেই ছবির জনপ্রিয় রেললাইনে দাঁড়িয়ে আবেগে ভাসলেন পর্দার রাজের বাবা, অভিনেতা অনুপম খের। মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে করলেন এক বিশেষ অনুরোধ।

Advertisement

ট্রেনের দরজায় দাঁড়িয়ে পর্দার রাজ। তখনও মেনে নিতে পারছেন না যে, এত দূরে এসেও প্রেমিকার সঙ্গে বিচ্ছেদ হচ্ছে। কিন্তু, তত ক্ষণে নিজের মেয়ের প্রতি রাজের ভালবাসা দেখে সিমরনের বাবা হঠাৎ বলে ওঠেন, “জা সিমরন জা, জী লে অপনী জ়িন্দগী”! তার পরেই চলন্ত ট্রেনের দিকে হাত বাড়িয়ে প্রেমিকার দৌড়। সব শেষে রাজ-সিমরনের মিলন। ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ ছবির সেই দৃশ্য আজও দর্শকের মনে টাটকা। যে লোকেশনে ওই দৃশ্যের শুটিং হয়েছিল, সেখানেই অন্য একটি শুটিংয়ের কাজে গিয়ে একটি ভিডিয়ো ভাগ করে নিলেন অনুপম। তিনি বলেন, “৩৬ বছর পরে একই জায়গায় আবার শুটিং করলাম। ভীষণ আবেগঘন এবং নস্ট্যালজিক অভিজ্ঞতা ছিল। এখানেই ‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’-র রাজ ও সিমরনের বিখ্যাত দৃশ্যটি শুট হয়েছিল। মনেই হচ্ছিল না যে, এতগুলো বছর কেটে গিয়েছে।”

‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ ছবির বিখ্যাত ট্রেনের দৃশ্যের শুটিং হয়েছিল এখানেই।

‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’ ছবির বিখ্যাত ট্রেনের দৃশ্যের শুটিং হয়েছিল এখানেই। ছবি: সংগৃহীত।

‘দিলওয়ালে দুলহনিয়া লে জায়েঙ্গে’র মাধ্যমেই পরিচালনায় আত্মপ্রকাশ আদিত্য চোপড়ার। অনুপম আরও বলেন, “সেই সময়ে শুটিং করতে গিয়ে কখনও ভাবিনি শাহরুখ ও কাজলের ওই দৃশ্য ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে স্মরণীয় মুহূর্তগুলোর অন্যতম হয়ে উঠবে। কিন্তু জীবনের সৌন্দর্যই বোধহয় এটাই— কোনও মুহূর্তের মাহাত্ম্য আমরা অনেক পরে বুঝতে পারি।”

মহারাষ্ট্র সরকারের কাছে অনুপমের আবেদন, ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এই ধরনের সব শুটিং লোকেশনকে সংরক্ষণ করা উচিত। তাঁর মতে, এই জায়গাগুলোর সঙ্গে দর্শকের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। তাই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সেগুলো রক্ষা করা জরুরি। অনুপমের প্রস্তাব, ওই নির্দিষ্ট লোকেশনটিকে পর্যটন কেন্দ্র হিসাবেও গড়ে তোলা যেতে পারে, যাতে সিনেপ্রেমীরা সেই স্মৃতির অংশ হয়ে উঠতে পারেন।

Advertisement
আরও পড়ুন