কী ঘটল মেহজ়বীন চৌধুরীর সঙ্গে? ছবি: ফেসবুক।
রবিবার সকাল থেকে বাংলাদেশ সরগরম। খবর, ঢাকা বিমানবন্দরে ১৪ বোতল অবৈধ মদ-সহ আটক হন ও পার বাংলার নায়িকা মেহজ়বীন চৌধুরী। বিদেশ থেকে ফেরার সময় তাঁর কাছে মদের বোতল মিলেছে। সে দেশের সংবাদমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়তেই নীরবতা ভেঙেছেন অভিনেত্রী। মেহজ়বীনের লিখিত বার্তা, “মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে।”
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, মেহজ়বীন একা নন, এ সময়ে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্বামী পরিচালক ও প্রযোজক আদনান আল রাজীব, চলচ্চিত্র পরিচালক শঙ্খ দাসগুপ্ত। বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী, তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু অজানা কারণে বিমানবন্দর থেকে নির্দ্বিধায় বেরিয়ে যান তাঁরা তিন জনেই। রহস্যজনক ভাবে গোটা বিষয় গোপন রাখেন কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। প্রসঙ্গত, মেহজ়বীনের বিরুদ্ধে আইনভঙ্গ এবং বেআইনি কাজের অভিযোগ এই প্রথম নয়। গত বছরেও তাঁকে কাঠগড়ায় তোলার চেষ্টা করা হয়েছিল। অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে ছিল ঋণখেলাপির মামলা। যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ না থাকায় সে বারেও আদালত থেকে রেহাই পেয়েছিলেন তিনি।
বার্তায় সে কথার উল্লেখ করেন মেহজ়বীন। লেখেন, “কিছু দিন ধরে আমি লক্ষ করছি, আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানেন, কিছু দিন আগেও একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। আদালত সেই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছে। সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।” এই জায়গা থেকেই তাঁর মনে হচ্ছে, ইচ্ছাকৃত ভাবেই তাঁকে যেন হয়রানির চেষ্টা করা হয়েছে। তিনি খেয়াল করে দেখেছেন, যখনই নতুন কাজ হাতে আসে তাঁর, সেই কাজে মন দেওয়ার চেষ্টা করেন, তখনই তাঁর মানহানির চেষ্টা করা হয়।
অভিনেত্রী লিখেছেন, “আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।” মেহজ়বীন আরও দেখেছেন, ইদানীং প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি নকল ছবি এবং ভিডিয়োর মাধ্যমে হেনস্থা করা হচ্ছে বিনোদনদুনিয়ার সঙ্গে যুক্ত মহিলাদের। সেই দলে তিনিও আছেন! মেহজ়বীনের বার্তা, “নারীরাই আজকাল সহজ টার্গেট হচ্ছেন, এর পিছনে কে বা কারা আছেন, তা আমার জানা নেই। আমি শুধু আমার কাজেই ফোকাস করতে চাই। আমি চাই, আমার কাজ নিয়েই আলোচনা হোক।”